ব্যাটিংটা না হয় উইকেটের দোহাই দিয়ে চালিয়ে দেওয়া যেতে পারে। বোলিং কিছু এক্সট্রা বাউন্ডারি ছাড়া খারাপ ছিল না। কিন্তু ফিল্ডিং একেবারে যাচ্ছেতাই! দুটি ক্যাচ মিস, রান-আউট মিসসহ ফিল্ডারদের শারিরীক ভাষা ইতিবাচক ছিল না। প্রথম টি-টোয়েন্টির এই ভুলগুলো ঠিক করে পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ। ম্যাচের শেষ তাই দলের ঘাটতিগুলো নিয়ে খোলামেলাই কথা বলেছেন টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শনিবার একই মাঠে হবে দ্বিতীয় ম্যাচ।

মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ে আমরা ১০-১৫ রান কম করেছি। এরপরও ১৪০ রান নিয়ে যে শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই করতে পেরেছি, এটা আমাদের বোলারদের কৃতিত্ব। বোলাররা ভালো বোলিং করলেও কিছু কিছু জায়গায় আমরা সহজ কিছু চার দিয়েছি। লেগ সাইডে আমরা ৬/৭ টার মতো চার দিয়েছি। এই জায়গাটায় যদি আমরা আরেকটু ভালো করতে পারতাম সঙ্গে যদি ফিল্ডিংটাও ভালো হতো তাহলে চিত্রটা ভিন্ন হতে পারত।’

এটা পরিস্কার যে, উইকেটের আচরণ পড়তে ভুল করেছিল বাংলাদেশ। ইদানিং প্রায় ম্যাচেই এই ভুল করতে দেখা যায় টাইগারদের। তাই পরের ম্যাচে উইকেটের দিকেও নজর দেওয়ার কথা টাইগার ক্যাপ্টেনের মুখে, ‘প্রথম দিকে বল যেভাবে ব্যাটে এসেছে, একটু পুরনো হয়ে গেলে আর সেভাবে আসেনি। থেমে থেমে এসেছে। ব্যাটসম্যানদের ভুগতে হয়েছে। পরের ম্যাচে এই জায়গাটায় মনোযোগ দিতে হবে। ফিল্ডিংয়ে আমরা বেশ কিছু রান-আউটের সুযোগ হাতছাড়া করেছি, ক্যাচ মিস করেছি। এগুলো না হলে ম্যাচটা অন্যরকম হতে পারত।’

৫ উইকেটে এই পরাজয়ের জন্য তামিম-নাঈমের মন্থর ব্যাটিংয়ে দর্শকরা দায়ী করলেও মাহমুদউল্লাহ এই দুই ওপেনারের প্রশংসাই করেছেন, ‘আমার মনে হয়, পাওয়ার প্লেতে আমরা যেভাবে ব্যাটিং করেছিলাম, সেটা ঠিক আছে। তামিম আর নাঈম খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। ওরা দারুণ শুরু এনে দিয়েছিল। এরপর আমরা এক ওভারে দুই উইকেট হারিয়েছি। এর একটা ছিল নাঈমের, যে খুব ভালো খেলছিল। এরপর আমরা ১৫-১৭ রানের একটি ওভার পেলে রান রেটটা উপরের দিকে যেত। আমার মনে হয়, এই জায়গাতে আমাদের কিছুটা ঘাটতি ছিল।’