প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করদাতারা আয়কর মেলার অনেক সুফল পাচ্ছেন এবং এর মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আহরণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আয়করকে জনগণের কাছে সহজবোধ্য করতে এবং কর সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ গঠনের লক্ষ্যে আমরা ২০১০ সালে আয়কর মেলা চালু করি। করদাতাগণ আয়কর মেলার অনেক সুফল পাচ্ছেন এবং এর মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আহরণও বৃদ্ধি পাচ্ছে’।

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া আয়কর মেলা-২০১৯ উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আয়কর কেবল রাজস্ব আহরণের অন্যতম প্রধান উৎস নয়, এটি অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠারও গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। আয়কর ব্যবস্থাকে কার্যকর ও শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সাংবিধানিক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা সম্ভব।’

রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বির্নিমাণের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে এমন আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৭৬ নম্বর আদেশ বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন। অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ তথা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে যুগোপযোগী করার যাবতীয় উদ্যোগ আমরা গ্রহণ করেছি।’

আয়কর মেলার সকল আয়োজন সফল ও সার্থকতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্মানিত করদাতাগণের সার্বিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আয়কর মেলার সফল বাস্তবায়ন সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়নকে নিঃসন্দেহে ত্বরান্বিত করবে।

শেখ হাসিনা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর উদ্যোগে ১৪ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী আয়কর মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং সকল করদাতা ও আয়কর আহরণের সঙ্গে সংশি¬ষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এছাড়াও যারা এ বছর বিভিন্ন শ্রেণিতে আয়কর কার্ড পাচ্ছেন এবং সর্বোচ্চ ও দীর্ঘমেয়াদি করদাতা হিসেবে পুরস্কৃত হচ্ছেন, তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। সূত্র:বাসস