উপ-নির্বাচনের তিন আসনেই জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস। যার মধ্যে কালিয়াগঞ্জ ও খড়গপুর সদরে প্রথমবার জিতল ঘাসফুল শিবির। করিমপুরেও জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। উপ-নির্বাচনে ৩-০ ফলাফলকে একদিকে ‘মানুষের আশীর্বাদ’ ও বিজেপির ঔদ্ধত্যের ফল’ বলে ব্যাখা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জি।

মমতা বলেন, এবার মানুষ বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। ভোট দিয়েছেন বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধেও। যদি স্বাধীনতার ৭১ বছর পর নাগরিকত্ব চাওয়া হয়, তা সম্ভব হয় না। এনআরসি মেনে নেওয়া হবে না।

গেরুয়া শিবিরকে তীব্র আক্রমণ করে তৃণমূল সুপ্রিমো আরো বলেন, গোটা দেশে সর্বনাশী খেলা খেলছে বিজেপি। নাগরিক বিল (এনআরসি) নিয়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। বিভেদের খেলা চালাচ্ছিল। তবে ওদের অহংকার বাংলায় চলবে না। বাংলার মানুষ বুদ্ধিমান। তারাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এনআরসি ইস্যুতে বিজেপিকে মমতা ব্যানার্জি বলেন, কর্নাটকের মতো রাজ্যগুলো থেকে বাংলার মানুষকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারা আমাদের কাছে সাহায্য চাইছেন। আমরা কিন্তু এ রাজ্যের মানুষের একমাত্র বন্ধু। আমদের মানবিক সরকার।

সকাল থেকেই বাড়িতে বসে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, লোকসভা ভোটের পর থেকেই বিজেপির দম্ভ বেড়ে গিয়েছিল। এনআরসি করে দাও। একে নাগরিকত্ব দাও। ওকে দেশ থেকে বের করে দাও। যেন জমিদারি ওদের। নাগরিকত্ব দেওয়ার ওরা কে! এমনিতেই তো সবাই এ দেশের নাগরিক।

মমতা আরো বলেন, মানুষের ওপর বিশ্বাস, ভরসা রেখেছে তৃণমূল। বাংলার সম্প্রীতি, একতার জয়। মানুষে–মানুষে ভেদাভেদ করেছে বিজেপি। তারই ফল পেল হাতেনাতে। তবে আমাদের আরো নম্র হতে হবে। মানুষের পাশে থাকতে হবে। শেষে মমতা বলেন, ১–২–৩, বিজেপিকে বিদায় দিন।