খিচুড়ি রান্নার জন্য বিদেশ ভ্রমণের জন্য সচিবের পর এবার সাফাই গাইলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তিনি বলেন, এ নিয়ে হৈ চৈ করার কিছু নেই। প্রকল্পে প্রশিক্ষণের জন্য কিছু টাকা ধরা হয়েছে বলেই এমন আয়োজন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এসময় প্রতিমন্ত্রী জানান, এ ধরনের বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা শিখতে তিনি নিজেও অতীতে বিদেশে গেছেন।

কেরালায় এসব দেখতে গিয়েছিলেন, সেখানে তাদের কিচেন, খাবারের ব্যবস্থা ইত্যাদি দেখে শিখেছেন। তিনি বলেন, ডব্লিউএফপি আমাকে নিয়ে গিয়েছিল। আমি সরকারের টাকা ব্যয় করতে দেইনি। আমি তাদের একটি প্রোগ্রামে গিয়ে দেখে এসেছি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি দাবি করেন, বিএনপি জামায়াতের সমর্থকরা সাংবাদিকতায় ঢুকে এসব বিষয় ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রাথমিক স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য খিচুড়ি রান্না করা থেকে বাজার ও বিতরণ শিখতে বিদেশ ভ্রমণ প্রয়োজন বলে মনে করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও পরিকল্পনা কমিশন।

প্রস্তাবিত ‘প্রাইমারি স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম’ এ পাঁচ কোটি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। শুধু বিদেশে নয়, স্থানীয় প্রশিক্ষণের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রান্না করা সবজি খিচুড়ি বা ডিম খিচুড়ি ব্যবস্থাপনা শিখতে এক হাজার সরকারি কর্মকর্তাকে বিদেশে পাঠাতেও চায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এ নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে সফরের পক্ষে সাফাই গান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব। গণশিক্ষা সচিব বলেন, রান্না করা খাবারের মধ্যে খিচুড়িটা সবচেয়ে প্রোটিন সমৃদ্ধ তাই সেটাই করছি। একদিন পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বললেন, বিদেশ ভ্রমণের কোন বিকল্প নেই।

প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, উচ্চতর ভ্রমণ প্রতিটা মানুষের জন্য প্রয়োজন আছে। দু বছর আগে আমাদের সচিব যারা ছিলেন তাদের দেখে আমি শিখেছি। যার জন্য আমাদের কিছু টাকা ধরা আছে, এটা বিশাল কোন ক্ষতিকর ব্যবস্থা না। এ সময় বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা করা হচ্ছে দাবি করে, সাংবাদিকতায় বিএনপি-জামায়াত ঢুকে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

0000

অবশ্যই পড়ুন

0000