মাত্রাতিরিক্ত চিনি খাওয়া যে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক, সেটা এখন কমবেশি সবাই জানেন। কিন্তু চিনির বিকল্প কিছু বেছে নিতে গিয়ে অনেকেই ঝামেলায় পড়ছেন।

অনেকেই চিনির পরিবর্তে এখন সুগার ফ্রি, মধু, রিফাইন্ড সুগার ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। তবে চিনির বিকল্প হিসেবে এ গুলো খেলেও ক্যালরির পরিমাণ একই থাকে। সে ক্ষেত্রে শরীরে সুগার গ্রহণ কমাতে হলে মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে ফেলতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শরীরের গঠন অনুযায়ী একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক পুরুষ দিনে ৮ চামচ চিনি খেতে পারে। আর নারীরা দিনে ৬ চামচ চিনি খেতে পারেন। তবে পুরুষ এবং নারীর উভয়ের ক্ষেত্রেই শরীরের ওজন যথাযথ থাকলেই এ পরিমাণ চিনি খাওয়া যায়। দেহের ওজন অতিরিক্ত হলে এ পরিমাণ চিনি খাওয়া যায় না।

অনেকের ধারণা, চিনি খেলেই ডায়াবেটিস হয়। এটি ঠিক নয়। তবে ডায়াবেটিস ধরা পড়লে সাধারণত চিনি খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। আবার যারা অতিরিক্ত চিনি খান, তাদের শরীরে ফ্যাট জমে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া চিনি খাওয়া একেবারে বন্ধ করে দেয়া অথবা রাতারাতি খুব কমিয়ে দেয়া ঠিক নয়। কারণ দেহে শর্করার মাত্রা কমে গেলে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে। তাই চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমাতে চাইলে তা ধীরে ধীরে করতে হবে।