করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার ঠেকাতে বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষ মাস্ক ব্যবহার করছে। কোনো গবেষণায় বলা হচ্ছে সার্জিক্যল ও এন৯৫ মাস্ক করোনা ঠেকাতে পারে। আবার কোনো গবেষণা বলছে পারে না। সোমবার এ বিষয়ে ছোট্ট একটি গবেষণা আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে ‘অ্যানালস ইন্টারনাল মেডিসিন’ এ। সেখানে বলা হয়েছে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকানের ক্ষেত্রে অকার্যকর সার্জিক্যাল ও কাপড়ের তৈরি মাস্ক।

বিজ্ঞানীরা সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা ও গবেষণা করে এমনটাই পেয়েছেন। সম্প্রতি তারা করোনা আক্রান্ত কয়েকজনের উপর এই পরীক্ষা চালান। সেখানে দেখা যায় করোনা আক্রান্ত রোগী যখন সার্জিক্যাল কিংবা কাপড়ের মাস্ক করে কাশি দেন তখন জীবাণু মাস্ক ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে এবং আশে-পাশে ছড়িয়ে পড়ে। প্রচুর পরিমাণে লেগে থাকে মাস্কের বাইরের অংশে। দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের দুটি হাসপাতালে চারজন রোগীকে নিয়ে তারা এই ক্ষুদ্র গবেষণা চালায়।

এক্ষেত্রে তারা সার্জিক্যাল মাস্ক ও পুনরায় ব্যবহারযোগ্য কাপড়ের মাস্কের মধ্যে পার্থক্য করার চেষ্টা করেছেন। এক্ষেত্রে তারা করোনা আক্রান্ত রোগীকে মাস্ক পড়িয়ে তার মুখের ৭ ইঞ্চি সামনে পেরি ডিশ রেখে পাঁচবার কাশি দিতে বলে। পরে দেখা যায় যে কাশি দেওয়ার পর মাস্কের বাইরের অংশে করোনার জীবাণু বেরিয়ে আসে। যদি কাশির বেগ জোরে হয় তাহলে জীবাণু মাস্কের বাইরেও বেরিয়ে আসতে পারে।

এটা অবশ্য পরিস্কার হওয়া যায়নি যে আক্রান্ত ব্যক্তির কাশির বেগের কারণেই কি মাস্ক ভেদ করে করোনার জীবাণু বাইরে বেরিয়ে আসে নাকি অন্যভাবে বেরিয়ে আসে।

তবে এই পরীক্ষা এন৯৫ মাস্কের কার্যকারিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কেবল দুটি নির্দিষ্ট মাস্ক নিয়েই তারা ক্ষুদ্র এই গবেষণাটি চালিয়েছে।

তথ্যসূত্র : অ্যানালস.ওআরজি ও সিএনএন।