নিষেধাজ্ঞার ১০১ তম দিন আজ বৃহস্পতিবার পূর্ণ করল কাশ্মীর। ২০১২ সালে কাশ্মীরে মোট ৯ ঘণ্টা বন্ধ ছিল ইন্টারনেট। ২০১৯-এ ৩০০০ ঘণ্টারও বেশি। সমীক্ষা বলছে, বারবার ইন্টারনেট বন্ধের ধাক্কায় ২০১২ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত কাশ্মীরের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৪০০০ কোটি রুপি!

শীত এসেছে। তুষারপাতে ৫ দিন বন্ধ থাকার পরে বৃহস্পতিবার জম্মু-শ্রীনগর হাইওয়ে খুলেছে। প্রায় ১৩০০ গাড়ি আটকে ছিল সেখানে। ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, সারা সপ্তাহ নাকি বরফ পড়বে। ইন্টারনেট কবে থেকে চালু হবে তা এখনও স্পষ্ট করেনি সরকার, তারা এনিয়ে এখনও কিছু জানায়নি।পড়াশোনা থেকে ব্যবসা- সবই মুখ থুবড়ে পড়ছে ইন্টারনেট না-থাকায়। পর্যটনে ইন্টারনেটের বিশেষ ভূমিকা আছে ফলে এই ব্যবসায়ও ক্ষতি হচ্ছে।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইন্টারনেটে বুকিং কনফার্ম অথবা গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করা বেশ চাপের হয়ে গেছে। ‘ফল মান্ডি’ বা কোল্ড স্টোরেজের ব্যবসাও ভাল ধাক্কা খেয়েছে। দালালদের এড়িয়ে কাশ্মীরি আপেল রাজ্যের বাইরে বিক্রির একটা সুযোগ ছিল চাষীদের কাছে। এখন সেই রাস্তাও বন্ধ। সীমাহীন দুর্দশা তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে। সূত্র : কলকাতা টিভি।