মধ্যযুগে প্রচলিত ছিল দাসপ্রথা। সাদাচোখে বিশ্বাস করা হয় আধুনিক যুগে আর দাস প্রথার অস্তিত্ব নেই। কিন্তু শিক্ষা ও মূল্যবোধের ছোঁয়া না লাগা অনেক স্থানে এখনো খোলা বাজারে বিক্রি হয় দাস, বিক্রি হয় নারী। আমাদের উপমহাদেশেই রয়েছে এমন একটি হাট যেখানে প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করা হয় নারীদের। এই হাটটি অবস্থিত ভারতের মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিকর ডিভিশনের শিবপুরি গ্রামে। এই হাটে রীতিমতো স্ট্যাম্প পেপারে সই করে নারীদের কেনাবেচা করা হয়। নিজের আপন বাবা বা ভাইও বিক্রি করে দেন আপন বোন বা অন্যদের। তেমনি একজন হচ্ছে ১৫ বছর বয়সী দুর্গা। দুর্গাকে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে ৫৭ বছরের এক বৃদ্ধের কাছে।

জানা যায়, নিজেদের চাহিদা মেটাতে ও কাজ করাতে গ্রামের ধনী ব্যক্তিরা এই হাট থেকে নারীদের কেনেন। কেনার সময় বিক্রেতার সাথে স্ট্যাম্প পেপারে চুক্তি হয়। নির্দিষ্ট সময় পার হলে বিক্রেতা আবার ফিরে পান সেই নারীকে। কেউ কেউ আবার স্বল্প সময়ের জন্যে নারীদের ভাড়া নিয়েও থাকেন। এসবই চলছে প্রকাশ্য দিবালোকে সবার চোখের সামনে।