স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা তাকে অনেক সম্মান করতো। এমনকি স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ম্যানেজমেন্টের সঙ্গেও তার সম্পর্ক ছিল বেশ ভালো। সবার সঙ্গেই ছিল তার সদ্ভাব।

এমনকি তিনি শিক্ষিকা হিসেবেও বেশ ভালো ছিলেন। কিন্তু তিনিই যে স্কুলের মধ্যে এমন কাণ্ড করেন, তা ঘুর্ণাক্ষরেও টের পাননি কেউ। আর ওই শিক্ষিকার সেই কাণ্ডটি সামনে আসতেই সবার চক্ষু চড়কগাছ। তাকে বের করে দেয়া হলো স্কুল থেকে।

অভিযোগ উঠেছে, ওই শিক্ষিকা ক্লাসরুমের মধ্যেই বহুবার পর্নভিডিও ধারণ করেছেন। এমনকি সেসব ভিডিও একটি পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইটে আপলোডও করেছেন। আর স্কুল কর্তৃপক্ষের এক সদস্য তেমনই এক পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইটে ওই শিক্ষিকাকে দেখতে পান। তিনি দেখেন ওই স্কুলের ক্লাসরুম এবং অফিস রুমের মধ্যে বসেই সেসব পর্ন শ্যুট করেছেন ওই নারী।

এরপরেই নড়েচড়ে বসে স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুল থেকে বহিষ্কার করে দেয়া হয় ওই শিক্ষিকাকে। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে টেক্সাসের এল ক্যাম্পো হাই স্কুলে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। এরপর পুলিশ এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের প্রধান টেরি স্ট্যানফিল জানিয়েছেন, ওই শিক্ষিকার অনেকগুলো পর্নোগ্রাফিক ভিডিও পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে এরই মধ্যে টেক্সাসের এডুকেশন এজেন্সিকে জানানো হয়েছে।