শীতের সময়ে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়ে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সর্দি-কাশি। তাই অতিরিক্ত শীতে সর্দি-কাশি থেকে বাঁচতে খেতে পারে মধু।

মধু উচ্চ ঔষধি গুণ সম্পন্ন ভেষজ তরল।

এতে রয়েছে একাধিক রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে– মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। পিত্তথলির সংক্রমণ রোধ করতে, বাতের ব্যথায়, মুখের দুর্গন্ধ কাটাতে– এমনকি শরীরের বাড়তি ওজন কমাতেও মধু খুবই কার্যকরী উপাদান। তবে অনেকে আসল মধু চিনতে পারেন না। তাই দোকানদার আপনাকে ঠকায়।

১. মধুর স্বাদ মিষ্টি হয় এবং এতে কোনো ঝাঁজাল ভাব থাকবে না।

২. খাঁটি মধুর গন্ধ হবে মিষ্টি ও আকর্ষণীয়।

৩. এক টুকরো ব্লটিং পেপার নিন, তাতে কয়েক ফোঁটা মধু দিন। যদি কাগজ তা সম্পূর্ণ শুষে নেয়, বুঝবেন মধুটি খাঁটি নয়।

৪. শীতের দিনে বা ঠাণ্ডায় খাঁটি মধু দানা বেঁধে যায়।

৫. একটি মোমবাতি নিয়ে মধুতে ডুবিয়ে নিন। এবার আগুন দিয়ে জ্বালানোর চেষ্টা করুন। যদি জ্বলে ওঠে, তা হলে বুঝবেন যে মধু খাঁটি। আর যদি না জ্বলে, বুঝবেন যে মধুতে জল মেশানো আছে।

৬. বেশ কিছু দিন ঘরে রেখে দিলে মধুতে চিনি জমতেই পারে। কিন্তু যদি বয়ামসহ মধু গরম পানিতে কিছুক্ষণ রেখে দেখুন। এই চিনি গলে মধু আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। কিন্তু নকল মধুর ক্ষেত্রে এটি হবে না।

৭. এক টুকরো সাদা কাপড়ে মধু মাখান। আধ ঘণ্টা রাখুন। তার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি দাগ থেকে যায়, বুঝবেন মধুটি খাঁটি নয়।

৮. গ্লাসে বা বাটিতে খানিকটা পানি নিন। তার মধ্যে এক চামচ মধু দিন। যদি মধু পানির সঙ্গে সহজেই মিশে যায়, তা হলে বুঝবেন যে এটি অবশ্যই নকল।

সূত্র: জি নিউজ