কাজী রফিকুল ইসলাম রনি (৩৮) নামের এক ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেল সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে। মূলত পরকীয়ায় কাল হল রনি জীবনে। ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়। রনির দেড় মাস নিখোঁজের পর তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার লালপুরের কাজী জাহের উদ্দিনের ছেলে। গত ২রা নভেম্বর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এরপর রনির ভাই স্থানীয় থানায় ভাইকে ফিরে পেতে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এরপর পুলিশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেন। এরপর গত বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রামপালের শিকদারবাড়ির একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ অনেক তদন্তের পর রনির খালা রুনা বেগম (২৬) ও গৃহকর্মী আম্বিয়াকে (৩২) গ্রেফতার করেছে। তাদের জবানবন্দীতে অনেক চাঞ্চল্যকর ঘটনা উঠে এসেছে। রুনা বেগম রনিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সকল ঘটনা ওসিকে বর্ণনা দিয়েছেন।

ওসিকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, রনি ও তার দূর সম্পর্কের খালা রুনা পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। যদিও রুনা বিবাহিত ছিল। কিন্তু রনি অবিবাহিত ছিল। রুনার স্বামী ঢাকার বাড্ডাতে চাকুরী করতেন ও বাড্ডাতেই থাকতেন। আর এই সুযোগে রনি লুকিয়ে লুকিয়ে রুনার সাথে রাত্রী যাপন করতেন। কিন্তু এর মধ্যে রনির অন্য যায়গায় বিয়ে হয়ে যায়। যেটা রুনার পছন্দ ছিলনা। তাই রুনা রনিকে তার সাথেই বেশীরভাগ সময় রাখতেন।

ঘটনার দিন ২ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এক সবজি ওয়ালা রুনার বাড়িতে আসলে রুনা লোকলজ্জার ভয়ে রনিকে একটি কাপড় রাখার বাক্সে লুকিয়ে রাখেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে বাক্সের লক বাইরে থেকে বন্ধ হয়ে যায়। এর দুই ঘন্টা পর লক খুলে বাক্সের ঢাকনা খুলে দেখা যায় রনি মারা গেছে। এরপর রনির মরদেহ সাড়াদিন ওই খানেই রাখে। এরপর রাতে রুনা ও আম্বিয়া মিলে একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে রনির মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়।

0000

আজকের জনপ্রিয়

0000