সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের এক গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, এক নারী ও এক পুরুষের মৃতদেহ। এই দুই পরিবারের দাবি, তারা আত্মহত্যা করে, ঝুলে ছিল। কিন্তু অনেকেই ধারণা করছেন, তাদেরকে মেরে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালানো হয়েছে। তবে এই বিষয়ে পুলিশ বলছে। তারা তদন্ত শুরু করেছে।

এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলা হলে, তারা জানায়, ঐ নারী ও পুরুষের সাথে বেশ কয়েক মাস ধরে পরকিয়া সম্পর্ক ছিল। মারা যাওয়া ঐ নারীর নাম ফাতেমা বেগম (৪০)। তিনি উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামের শেখ হাসানের স্ত্রী। আর যুবকের নাম ছিল করিম পাড় (৩০)। তিনি শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাট দক্ষিণপাড়ার জয়নাল পাড়ের ছেলে।

এ বিষয়ে এলাকার ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, “সকালে শেখ আব্দুল হাই আমাকে ফোন করে জানায়, ‘আমার বাড়িতে দুজন আত্মহত্যা করেছে। থানা পুলিশে খবর দাও।’ মৃত গৃহবধূ তারই পুত্রবধূ। পরকীয়ার জেরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।”

এরপর থেকে শেখ আব্দুল হাই এর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

এ বিষয়ে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবির জানান, মরদেহ দুইটির মধ্যে মহিলাটির গায়ে অনেক আঘাতের চিহ্ন থাকলেও পুরুষটির গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এই লাশ দুইটি ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।