শিক্ষক হল দেশ গড়ার কারিগর। আর এই দেশ গড়ার কারিগর যদি অনৈতিক কাজ করে, তবে বিষয়টি হয়ে যায় খারাপ। এমনি এক অনৈতিক কাজে জড়িয়েছেন চুয়াডাঙ্গার এক শিক্ষক। সেই শিক্ষক তারই সাবেক ছাত্রীর সাথে পরকীয়ায় জড়ালে, তার স্ত্রী স্বামীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে গোপনে সেই ছাত্রীর সাথে তার বিয়ে দিয়ে দেন। এরপর থেকেই শুরু হয় বিপত্তি।

শিক্ষকের স্ত্রী তার স্বামীর পরকীয়া প্রেমিকার সাথে তার ছেলের বিয়ে দেবার পর থেকে, শিক্ষক তার স্ত্রীর সাথে শুরু করু অত্যাচার। আর সেই স্ত্রী স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে, এক পর্যায়ে বিষ পান করে। এরপর তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সংবাদ সুত্রে জানা গেছে, সেই শিক্ষকের নাম মোজাফফর আলী ওরফে জহুরুল। সে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত হাই স্কুলের শিক্ষক। তার বয়স ৫০। বয়স বেশি হলেও, সে কর্মে খুবই যুবক। সে তার এক সাবেক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর থেকে সেই সেই শিক্ষকের বাড়িতে তার প্রেমিকা ছাত্রী মাঝেমধ্যেই যাতায়াত শুরু করে। এই রকম করে যাতায়াত করতে করতে এক পর্যায়ে সেই ছাত্রী শিক্ষকের ছেলের সাথেও প্রেম শুরু করে। আর এই ঘটনাটি যখন শিক্ষক জহুরুলের মা জানতে পারেন, তখন সে তার ছেলের সাথে ঐ ছাত্রীর বিয়ে দিয়ে দেয়। তিনি মনে করেন, এই বিয়ের পর হয়তো তার স্বামীর এই রকম আচরণ বন্ধ হবে।কিন্তু এতে আরো হিতে বিপরীত হয়। জহুরুল শুরু করে তার স্ত্রীর সাথে অমানবিক নির্যাতন।

জহুরুলের বিবাহিত জীবন নিয়েও অনেক ঘটনা আছে। জানা যায় জহুরুলের বর্তমান স্ত্রী এক সময় জহুরুলের গ্রামের বাড়িতে মানুষের বাড়িতে কাজ করতেন। এ সময় তাদের মধ্যে প্রেম হয় এবং তারা বিয়ে করে। কিন্তু সেই সময় জহুরুলের পরিবার সেই বিয়েটিকে মেনে নিতে পেরেছিল না। যার ফলে তখন তার স্ত্রী বেশিরভাগ সময় তার বাপের বাড়িতেই থাকতেন। সেই সময় জহুরুল আরেক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলে ধরা পড়েন। এরপর সেই সময় জহুরুল তার বর্তমান স্ত্রীকে তালাক দিব বলে ভয় দেখিয়ে নানা অনৈতিক কাজ করতেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. সোহানা আহমেদ বলেন, জহুরুলের স্ত্রী বিষপান করে মুমুর্ষু অবস্থায় সকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। প্রথমে তার শরীরের পাকস্থলী থেকে সেটি ওয়াশ করা হয়েছে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। তিনি এখনো জ্ঞান ফিরে পাননি। এদিকে সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত সদর থানার এএসআই শাহিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0000

আজকের জনপ্রিয়

0000