প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসটি পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্রিটিশ রাজনীতিক ও লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনের বড় ভাই খ্যাতনামা জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও মানবাধিকারকর্মী পিয়ার্স করবিন। আর পেছনে মার্কিন প্রযুক্তি ব্যবসায়ী বিলিয়নিয়ার বিল গেটস ও বিনিয়োগ মোগল খ্যাত জর্জ সরোসের মতো অতি ধনীদের হাত রয়েছে বলেও দাবি তার।

বলেছেন, বিষাক্ত ভ্যাকসিনের মাধ্যমে বিশ্বের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও কমিয়ে ফেলাই এর লক্ষ্যে। করোনার ভ্যাকসিন না নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। বিশ্বজুড়ে মহামারী পরিস্থিতির মধ্যে সোমবার এক টুইটার বার্তায় এসব কথা বলেন পিয়ার্স।

নিজের অনুসারী ও ভক্তদের উদ্দেশে ৭২ বছর বয়সী এই বিজ্ঞানী বলেন, ‘করোনা ছড়ানো হয়েছে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে। এর নেপথ্যে রয়েছে বিল গেটস ও জর্জ সরোসের মতো অতি ধনী ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘এর উদ্দেশ্য, জোরপূর্বক বিষাক্ত ভ্যাকসিনের মাধ্যমে পৃথিবীর জনসংখ্যা কমিয়ে ফেলা।

(কারণ তাদের মতে, জনসংখ্যার কারণে পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতি হচ্ছে)। করোনা ভ্যাকসিনকে ‘না’ বলুন।’ করোনা নিয়ে পিয়ার্স করবিনের এ বক্তব্য বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে জোর আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। করোনার পেছনের গোমর ফাঁস করায় তাকে সাধুবাদ দিচ্ছেন অনেকেই। কেউ কেউ তার এই বক্তব্য ‘সমাজের জন্য ক্ষতিকর’ ও ‘পাগলের প্রলাপ’ বলেও অভিহিত করছেন। ডেইলি মেইল ও ব্রিটেনের জাতীয় রেডিও স্টেশন টকরেডিও’র।

বিশ্বের অতি ধনীদের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে বহু বছর ধরেই সোচ্চার পিয়ার্স করবিন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে কথা বলে গত বছর সেপ্টেম্বরই প্রথমবারের মাধ্যমে শিরোনাম হন তিনি। ইইউকে তিনি ‘ফোর্থ রাইখ’ অভিহিত করে কঠোর সমালোচনা করেন।

ছোট ভাই জেরেমি করবিনের ব্রেক্সিট নীতির সমালোচনা করেন তিনি। পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনও মানেন না পিয়ার্স। একে অতি ধনীদের ‘ভুয়া প্রচারণা’ অভিহিত করে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। এবার করোনার পেছনে গোমর ফাঁস করলেন। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ধুয়া তুলে এর জন্য বিশ্বের জনগণকে দায়ী করা হচ্ছে। এই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও কমিয়ে ফেলার লক্ষ্যেই করোনাভাইরাস সৃষ্টি করা হয়েছে।