ভালোলাগা থেকে নতুন সম্পর্কের শুরু হলেও জীবনসঙ্গী চূড়ান্ত করার ব্যাপারে কিছু বিষয়ে বিবেচনা করা দরকার। তাহলে জীবনের বাকি সময়ে ঝামেলা অনেকটাই কম পোহাতে হয় এবং দাম্পত্য জীবন সুখের হয়। আসুন সেসব বিষয়ে জেনে নিন-

সময় কাটাতে ভালো লাগলে

সঙ্গী যদি আপনার সঙ্গে সময় কাটাতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে এবং তার সঙ্গে সময় কাটাতে আপনারও ভালো লাগে, তাহলে সম্পর্ক অনেক দূর এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে ভাবতে পারেন।

সে কি আপনার ভক্ত?

আপনার সব ধরনের কাজে সবচেয়ে বেশি সমর্থন যদি আপনার সঙ্গী করে থাকে, তাহলেও বিষয়টি ইতিবাচক। এমনকি যে কাজে কারোই সাড়া পাচ্ছেন না, তাতেও সঙ্গীর সমর্থন পেলে তাকে আরো শক্ত বন্ধনে আগলে রাখুন। আর সঙ্গী যদি আপনাকে সত্যিই অনেক বিশ্বাস করে, তাহলে তো জমে ক্ষীর।

একে অন্যের প্রতি সম্মান

অন্যজন যদি আপনাকে সম্মান দেয় এবং তার প্রতি আপনারও সে ধরনের অনুভূতি থাকে, তাহলেও ভেবে দেখতে পারেন। মনে রাখা দরকার, সম্পর্কের ক্ষেত্রে একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

পছন্দের উপহার

আপনার পছন্দের জিনিস কিংবা তার ভালো লাগার কোনো জিনিস যদি আপনাকে উপহার দেয় এবং তাকে খুশি করার জন্য এ ধরনের কাজ আপনিও করে থাকেন, তাহলে দীর্ঘ পথ চলার কথা ভাবতে পারেন।

আপনার পছন্দ

অন্য যে কারো চেয়ে যদি কাউকে ভালো লেগে যায়, তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া মন্দ হবে না।

মনের মিল

উভয়ের চিন্তা-ভাবনা এক হলে দীর্ঘপথ একসঙ্গে পাড়ি দেওয়া সহজ হয়ে যায়। এতে করে দাম্পত্য জীবনও সুখের হয়। সেজন্য বিয়ের আগে সঙ্গীর চিন্তা-ভাবনা জানতে পারলে ভালো হয়।

ভবিষ্যৎ ভাবনা

উভয়ের ভবিষ্যৎ ভাবনাও জানা দরকার। যদি ভবিষ্যতের চিন্তা-ভাবনা একই হয়, তাহলে গাঁটছড়া বাঁধতে পারেন।