কিছুদিন আগে জয়পুরহাটে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ১২জন নিহত হয়েছিলেন। এর রেস কাটতে না কাটতেই আবার হল একই ধরনের দুর্ঘটনা তবে এবার বাস-ট্রাক নয়। ট্রেন-ট্রাক দুর্ঘটনা। আর এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ট্রেন ড্রাইভারের নিয়ম না মানার কারণে।

২১ ডিসেম্বর (সোমবার) রাত ১ টায় ফুলবাড়ি স্টেশনের ১নং লাইনে একটি মালবাহী ট্রেন প্রবেশ করে। এর ঠিক ১ মিনিট পর স্টেশনের অনুমতি ছাড়াই এমজিবিসি নামক আরেকটি ট্রেন স্টেশনের ১নং লাইনে প্রবেশের চেষ্টা করে। এই ট্রেনটিও একটি মালবাহী ট্রেন ছিল। এ সময় স্টেশন থেকে কিছু দূরে ফুলবাড়ি রেলঘুন্টি নামকস্থানে ঠাকুরগাঁও থেকে বগুড়াগামী একটি চাল বোঝাই ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো-ট-১৪-৯৭১৩) স্বজোরে ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়। আর এতেই ট্রাকটি ছিটকে গেট্ম্যানের উপর এসে পড়ে। এমনটিই বলছিলেন,ফুলবাড়ি রেলওয়ে স্টেশনের সুপার ইসরফিল সরকার।

দুর্ঘটনার সময় প্রচুর কুয়াশা ছিল। যার ফলে তখন গেটম্যানের লাশ না পাওয়া গেলেও ভোর ৭টায় ক্রেন যোগে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি সড়ানোর সময় ট্রাকের নিচে গেইটম্যান সুশান্ত কুমার দাসের লাশ পাওয়া যায়।

ট্রাকের চালকে সামান্য আহত অবস্থায় আটক করেছে পুলিশ। ট্রাক চালক সাইদুল ইসলাম নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার কফিলউদ্দিন মন্ডলের ছেলে।

এই দুর্ঘটার পর ওই রেল লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ ছিল। ভোর ৬ টার সময় মালবাহী ট্রেন সরিয়ে নিলে  ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

রেলওয়ে স্টেশনের সুপার ইসরফিল সরকার আরও জানান, মূলত মালবাহী ট্রেনটির ড্রাইভারই এই ঘটনার জন্য দায়ী। তিনি যদি স্টেশনে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতেন। তাহলে গেট কিপার গেট সিগন্যালটি নামাতেন ও এরকম দুর্ঘটনা হতো না।

0000

আজকের জনপ্রিয়

0000