রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মজনুর ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষণে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের উপ-মহাপরিদর্শক শেখ নাজমুল আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ মামলায় গ্রেপ্তার মজনু ৭ দিনের রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

মামলার আলামত হিসেবে এ ডিএনএ রিপোর্ট শিগগিরই তদন্ত সংস্থা আদালতে জমা দেবে বিচারকার্যের গুরুত্বপূর্ণ দালিলিক প্রমাণ হিসেবে।

উপ-মহাপরিদর্শক শেখ নাজমুল আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনাস্থল ও বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেগুলোর সঙ্গে মজনুর ডিএনএ নমুনা মেলানোর পরীক্ষা করা হয় ল্যাবে।

গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে হেটে যাওয়ার সময় একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে সড়কের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পাশাপাশি নির্যাতনও করে। পরে রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনার দুইদিন পর ধর্ষক মজনুকে বনানী থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।