মায়ের কাছে ডিম দিয়ে রুটি খাওয়ার আবদার করে মেয়ে। তাই মা রিনা বেগম মেয়ে হাফসার আবদার মেটাতে বাড়ির পাশে একটি দোকানে যায়, এগুলো কিনতে। কিন্তু কেনার ১০ মিনিট পর বাড়ি এসে মা দেখেন, তার মেয়ে আর এ পৃথিবীতে নেই। সে আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে ঝুলছে। এই দেখে মা চিৎকার করে উঠে। তখন পাড়াপ্রতিবেশি সকলে এসে মেয়েকে সেখান থেকে নামায়।

হাফসা বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা খোন্তকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম গোলবুনিয়া গ্রামের মেয়ে। সে ঐ উপজেলার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ত। সে তার পরিবারের ৩ বোনের একজন। তার বাবা জলিল হাওলাদার একজন কৃষক।

এই ঘটনায় সকাল ১১ টার দিকে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে এবং লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠায়। হাফসার কাছ থেকে পুলিশ একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। প্রাথমিক অবস্থায় এই আত্মহত্যাকে প্রেম ঘটিত কারণ বলে মনে হচ্ছে।

এদিকে হাফসার মা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন। সে বার বার করে বলতে থাকে ‘মেয়ে আমার আত্মহত্যা করার জন্যই আমাকে দোকানে পাঠিয়েছিল। যাতে করে আমার অগোচোরে সে মরতে পারে।