ভূমিকম্প গবেষক ফ্র্যাঙ্ক হুগেরবিটস জানিয়েছেন, আজ অথবা আগামীকালের মধ্যে রিখটার স্কেলে আট মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে। নেদারল্যান্ড থেকে কাজ করা এই গবেষক জানান, পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেটগুলো অস্থিতিশীল হয়ে ওঠছে। এতে পৃথিবীব্যাপী আট মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে।

ফ্র্যাঙ্ক হুগেরবিটস তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে গ্রহগুলোর অবস্থান টেকটোনিক প্লেটগুলোকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এই কারণে একটি অথবা দু’টি রিখটার স্কেলে সাত মাত্রার বা আট মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে। এই মহা-ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটতে পারে ১৩ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে।

হুগেরবিটস জানিয়েছেন, সম্ভাব্য ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পেতে তিনি সোলার সিস্টেম জিওমেট্রি ইনডেক্স নামে একটি উন্নত সিস্টেম ব্যবহার করছেন। ডাচ এই গবেষকের মতে, লুনার জিওমেট্রি ও গ্রহগুলোর বিপজ্জনক অবস্থান সৌরজগৎ জুড়ে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ উৎপন্ন করবে। আর এই তরঙ্গগুলো টেকটোনিক প্লেটগুলো অস্থিতিশীল করতে যথেষ্ট শক্তিশালী। এর ফলে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানবে।

তবে ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের দাবি, হুগেরবিটসের করা ভবিষ্যদ্বাণীগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কোনো প্রযুক্তিই নির্ভুলভাবে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিতে পারে না। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, হুগেরবিটসের ভবিষ্যদ্বাণীর কয়েক ঘণ্টা পরই ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুলাওসি এবং উত্তর মালুকু অঞ্চলে সাত দশমিক এক মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এ ছাড়াও রিখটার স্কেলে ৭০টিরও বেশি ছোট ছোট কম্পনের আবাস পাওয়া যায়।

তার ওয়েবসাইটে হুগেরবিটস পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, তিনি কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর অংশ নন। তিনি সত্য বিষয়গুলো জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করেত চান। তিনি বলেন, যা মিথ্যা বলে দাবি করা হচ্ছে তার বিপরীতে আমরা কোনো ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর অংশ নই। আমরা কারো বা কোনো কিছুর বিরুদ্ধে নই। আমরা নির্দিষ্ট গ্রহ এবং লুনার জিওমেট্রি থেকে ভূমিকম্পের প্রভাব সম্পর্কে একটি নিরপেক্ষ পদ্ধতিতে তথ্য সরবরাহ করি।