ভিন রাজ্যে পালিয়েও শেষ রক্ষা হল না। পঞ্চায়েতের লম্বা হাত ধাওয়া করে আবার তাদের পাকড়ে আনল গ্রামে। অপরাধের শাস্তি হিসেবে এরপর প্রকাশ্যে প্রেমিককে স্তন্য পান করাতে বাধ্য করা হল পঁচিশের বধূকে। ঘটনা ভারতের মধ্যপ্রদেশে। খাপ পঞ্চায়তের বজ্রমুষ্টি এড়িয়ে লুকোনোর জো নেই। সম্প্রতি এই সত্য ফের উপলব্ধি করলেন মধ্যপ্রদেশের এক প্রেমিক যুগল।

ইন্দোরের ২০০ কিলোমিটার পশ্চিমে ভিল সম্প্রদায় অধ্যুষিত আলিরাজপুর জেলার এক বিবাহিতা তরুণীর প্রেমে পড়ে বয়সে কিছু ছোট সদ্য কুড়ির ঘরে পা রাখা একই গ্রামের তরুণ।পরকীয়া প্রেমের আর্জি যে কোনও মতেই গ্রামের মাতব্বরদের অনুমোদন পাবে না, সে কথা বুঝতে পেরে গোপনে ঘর ছাড়েন প্রণয়ীরা। রাজ্যের সীমা টপকে পড়শি রাজ্য গুজরাতে আশ্রয় নেন তাঁরা। কিন্তু তবু পঞ্চায়েতের কড়া নজরকে ফাঁকি দেওয়া যায়নি।

শেষ পর্যন্ত অজ্ঞাতবাস থেকে তাঁদের টেনে-হিঁচড়ে ফিরিয়ে আনা হয় গ্রামে। পরকীয়ার অপরাধে পঞ্চায়েতের আদেশে ধৃত যুগলের মাথা কামিয়ে দেওয়া হয়। তারপর মুরুব্বিদের নির্দেশে গোটা গ্রামকে সাক্ষী রেখে প্রেমিককে স্তন্যপান করাতে বাধ্য হন বধূ।

ঘটনার পর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য জনৈক নাকে দিয়াসহ মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই তরুণী। ইতোমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলিরাজপুর জেলা পুলিশের এস পি অখিলেশ ঝা ।