বাংলাদেশের গাজীপুরের শ্রীপুরে পোশাক কারখানার এক শ্রমিককে তাঁর প্রেমিক মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে তিন বন্ধুসহ ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় বাধা দেওয়ায় তরুণীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তরুণীর একটি হাত ভেঙেও দিয়েছেন তাঁরা।

এই ঘটনাটি ঘটে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সিংগারদীঘি গ্রামে গত বুধবার রাতে। নির্যাতিত তরুণী গাজীপুর সদর উপজেলায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। এ ঘটনায় তিনি গত শুক্রবার শ্রীপুর থানায় মামলা করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন শ্রীপুরের সিংগারদীঘি গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে আ. রউফ (২২), মৃত তাজউদ্দিনের ছেলে গোলাম রাব্বি (২০), পাশের গাজীপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আসাদ (২২) ও ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জিননগর গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে শামীম (২০)। শামীম শ্রীপুরের মাওনা উত্তরপাড়া দিদার শেখের বাড়ির ভাড়াটিয়া। পুলিশ শুক্রবারই অভিযান চালিয়ে রউফ, রাব্বি ও শামীমকে গ্রেপ্তার করেছে। রউফ ঘটনা স্বীকার করে ওই দিনই আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

তরুণী জানান, প্রায় পাঁচ মাস ধরে রউফের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক। গত বুধবার সন্ধ্যায় রউফ তাঁকে ফোন করে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলেন। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে তাঁকে নিয়ে রউফ সিংগারদীঘিতে রাব্বির বাসায় যান। সেখানে আসাদ, শামীমও ছিলেন। বাড়ির একটি কক্ষে আটকে ওই চারজন তাঁকে নির্যাতন করেন। পরে তাঁরা নেশা করে ঘুমিয়ে পড়লে মেয়েটি পালিয়ে আসেন।