বার্ষিক বনভোজনের টাকা দিতে না পারায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের জমিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পাঁচ শিক্ষার্থী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার উপজেলার জমিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় বনভোজনের আয়োজন করে। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য চাঁদা ধরা হয় ৪০০ টাকা। তবে অভিযোগকারীসহ ১৮ শিক্ষার্থী চাঁদার টাকা দিতে না পারায় গতকাল বুধবার সকালে তাদের বিদ্যালয় থেকে বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির ছয়, সপ্তম শ্রেণির তিন, অষ্টম শ্রেণির সাত এবং  নবম শ্রেণির চারজন রয়েছে।

এক অভিভাবক বলেন, ‘নির্ধারিত টাকা দিতে না পারায় ছেলেরা স্কুলের বনভোজনে অংশ নিতে পারেনি। ফলে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আমরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের উপযুক্ত বিচার ও তাঁর অপসারণের দাবি করছি।’

এদিকে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমাদের স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫০০। বার্ষিক বনভোজনের জন্য ৪০০ টাকা করে চাঁদা ধরা হয়। এতে অংশ নেয় ২৫০ শিক্ষার্থী। অন্যদিকে এলাকার কিছু বখাটে ছেলে আলাদাভাবে একটি বাস ও দুটি মাইক্রোবাস নিয়ে আমাদের সঙ্গে একই স্থানে বনভোজনে যায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আমাদের স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে।’