পিঙ্ক টেস্টে ভরাডুবি হলো টাইগারদের। ইতিহাস রচনা করল ভারত। মাত্র আড়াই দিনেই শেষ হয়ে গেল ঐতিহাসিক পিঙ্ক টেস্ট ।

আর বাংলাদেশের প্রাপ্তি শুধু ইনজুরি, তাও আবার চারটি! এক কথায় এই সিরিজে টেস্ট র্যাং কিংয়ে ১ নম্বরে থাকা ভারতের কাছে পাত্তাই পায়নি ৯ নম্বরে থাকা বাংলাদেশ।

জয়ের তৃপ্তিতে বিরাট কোহলিরা যখন ঢেকুর তুলছেন, তখন কলকাতায় বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের ভারতীয় পেসারদের বাউন্সার ঠিকমতো খেলতে না পারার বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পুরো ম্যাচজুড়েই সামি-যাদবদের বাউন্সার টাইগারদের হেলমেটে গিয়ে আঘাত হানতে দেখা গেছে।

আর পিঙ্ক টেস্টে ‘নীল’ বাংলাদেশের এমন দুর্দশরার সুযোগ নিয়ে ট্রল করল কলকাতা পুলিশ। তাদের অফিসিয়াল পেজে ঠাঁই পেয়েছে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিথুনের একটি দৃশ্য! যেখানে দেখা গেছে, বাউন্সার এড়াতে না পারায় মিথুনের হেলমেটে আঘাত করছে বল। আর চোখ বুজে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করছেন মিথুন। ছবির ক্যাপশনে তারা লিখেছেন- ‘রাখে হেলমেট, মারে কে?’

ছবিটি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য বিদ্রূপাত্মক বলে মনে করছেন অনেকেই। তবে কলকাতা পুলিশের দাবি, তারা ট্রাফিক আইন নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই ছবিটি ব্যবহার করেছেন। এখানে কাউকে নিয়ে ট্রল করা হয়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ জানিয়েছে, সড়ক দুর্ঘটনায় হেলমেটের ব্যবহারের গুরুত্ব বোঝাতে কলকাতা পুলিশ মোহাম্মদ মিথুনের মাথায় বল লাগার ছবি টুইটারে শেয়ার করেছে।

উল্লেখ্য, পিঙ্ক টেস্টের প্রথম ইনিংসের ২১তম ওভারে মোহাম্মদ সামির বলে মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন দাস। লাঞ্চ বিরতির পর সেই সামির বলে লিটনের মতোই আঘাত পান নাঈম হাসান। দ্বিতীয় ইনিংসে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রিয়াদের পর লিটন-নাঈমের কায়দায় মাথায় আঘাত পান মোহাম্মদ মিঠুন।

ইশান্ত শর্মার বাউন্সার সোজা মোহাম্মদ মিঠুনের মাথায় লাগে। তবে হেলমেটের কারণে বড় ধরনের বিপদ থেকে বেঁচে যান মিথুন। আর এ বিষয়টিকেই পুঁজি করে ট্রল করল কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ।

মিথুনের এই ছবিটি টুইট করে ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইভ’-এর প্রচারে নেমেছে কলকাতা পুলিশ।