বিয়ের দাবিতে এক তরুণী অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। জানা গেছে, পাত্র সম্পর্কে তরুণীর নানা হয়। আসলে তরুণী যে ছেলেকে বিয়ে করতে চায়, সে তার নানার চাচাতো ভাই। এই সুবাদে সেও ওই তরুণীর চাচাতো নানা।

এই অনশনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এলাকায় চাঞ্চল্য পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের সভারচর গ্রামে। এই তরুণীর বয়স ২২ বছর। আর তার চাচাতো নানার নাম সাদ্দাম শেখে। সাদ্দাম শেখে মেয়েটির প্রতিবেশী মৃত সাহেব আলীর ছেলে। মেয়েটি সাদ্দামের সাথে বেশ কিছুদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

এই ব্যাপারে সঠিক সুরাহা পেতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও এখনো কোন সুরাহা হয়নি। কারণ মেয়েটির প্রেমিক, পলাতক আছে।

অনশনরত তরুণীর কাছ থেকে যে তথ্য পাওয়া গেছে তা হল, মেয়েটির বছর খানেক আগে পাশের গ্রামের এক পরিবারে বিয়ে হয়। কিন্ত বিয়ের পর মেয়েটি তার বাপের বাড়ি বেড়াতে এলে সাদ্দাম তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় ও তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে। এরপর সে তার প্রস্তাব গ্রহণ করার পর, সাদ্দামের কথামত সে তার স্বামীকে তালাক দেয়।

কিন্তু স্বামীকে তালাকের পর এখন সাদ্দামও তাকে আর বিয়ে করতে চাচ্ছে না। এদিকে সাদ্দামের পরিবারও এই মেয়েটিকে তাদের ছেলের বউ হিসেবে মেনে নিতে চাচ্ছে না। যার পরিপ্রেক্ষিতে এই মেয়েটি গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে সাদ্দামের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে। মেয়েটি ও তার পরিবারের একটাই দাবি, সাদ্দামকে তাকে বিয়ে করতে হবে।

এদিকে মেয়েটি অনশনের ২ দিনের মাথায় সাদ্দাম বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরপর থেকে সাদ্দামকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু রায়হান জানান, এ ব্যাপারে মেয়েটির বাবার কাছ থেজে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। খুব শীঘ্রই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।