মিছিলের পর এবার ধরনা। CAA, NRC’র বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঝাঁজ বাড়াচ্ছে তৃণমূল। শনিবার ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ধরনায় বসেন বিধায়কেরা। সেই ধরণা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দলীয় নেতা-কর্মীরাও। এমনকী প্রবল শীত অতিক্রম করে হাজির ছিলেন বহু সাধারণ মানুষও। বেলা চারটে অবধি ধরনা চলবে বলে খবর। এর জেরে কলকাতার বেশকিছু এলাকায় গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

উত্তর কলকাতার প্রাণকেন্দ্র শ্যামবাজার এলাকায় ধরনা মঞ্চ তৈরি হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শশী পাঁজা। জড়ো হয়েছেন দলের নেতা-কর্মীরা। ওদিকে সখের বাজার এলাকার ধরনা মঞ্চে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, খিদিরপুরে মেয়র ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারীতে হাজির ছিলেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এক যোগে তাঁদের অভিযোগ, “বিজেপি ধর্মের ভিত্তিতে দেশে ভেদাভেদ তৈরি করছে। ধর্মের নামে রাজনীতি করছে ওরা। কিন্তু এই নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজনীতি মানেন না। তাঁর কাছে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, জৈন সকলেই সমান। বিজেপির উদ্দেশ্য সফল হবে না।”
এদিকে জেলাগুলিতেও ধরনায় হাজির ছিলেন মন্ত্রী-বিধায়কেরা। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ধরনা মঞ্চে হাজির ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। আসানসোলে হাজির মলয় ঘটক। প্রবল ঠান্ডা উপেক্ষা করেই বহু সাধারণ মানুষ হাজির ছিলেন। যা দেখে নেতাদের দাবি, আম নাগরিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন।
তবে এদিনের ধরণা কেন্দ্র করে কলকাতার বেশকিছু এলাকায় যানজটের সম্ভবনা তৈরি হয়। এর মধ্যে অন্যতম ভিআইপি রোড, যশোহর রোড। দমদম বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এয়ারপোর্ট এক নম্বর গেটের কাছে ধরনা মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সকাল দশটা থেকে সেখানে জমায়েত শুরু গিয়েছে। ফলে নাগেরবাজারগামী রাস্তা ও বারাসাতগামী রাস্তায় গাড়ি চলছে নিয়ন্ত্রিত গতিতে। এদিকে উত্তর দমদম বিধানসবা কেন্দ্রের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা যশোর রোডে গৌরীপুরে ধরণা মঞ্চ বাঁধেন। ভিআইপি রোডে ঘরি মোড়ের কাছে তৈরি হয়েছে ধরনা মঞ্চ। এগুলি অবরোধ কর্মসূচি না হলেও জমায়েত বাড়তে থাকায় গাড়ি চলছে নিয়ন্ত্রিত গতিতে।