রাজধানীর কদমতলীর রায়েরবাগে ফুপুর বাসায় বেড়াতে যান জান্নাতি ফেরদৌস রিমু। পরে গত ৮ সেপ্টেম্বর রিমুকে নিয়ে পালিয়ে যান ওমর ফারুক। তিনি ভাটার থানার ৪০ নম্বর ওর্য়াড যুবলীগ নেতা। পরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় নেতাদের মাধ্যমে ওই নারীকে ভাটারা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ওমর ফারুক বলেন, রিমুর সঙ্গে তার ৬ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সোহেল রানা নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গে তার বিয়ে দেয় পরিবার। তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধায়। আর স্বামীর বাড়ি দিনাজপুরে। ওই নারীকে নিয়ে এক সপ্তাহ ময়মনসিংহ পালিয়ে ছিলেন তিনি।

পরে ৯ ফেব্রুয়ারি সোহেল রানাকে তালাক দেন ওই নারী। পরে গত ১৩ সেপ্টেম্বর রিমুকে বিয়ে করেন ওমর ফারুক। তিনি বলেন, ওই নারীকে প্রায়ই মারধর করতো সাবেক স্বামী সোহেল। রিমুর বাবা পুলিশের এএসআই। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে রয়েছেন।