লকডাউনের মধ্যেই নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১ হাজার ৭১৮ জন, মারা গেছেন ৬৭ জন। সংক্রমণের এই অবস্থা চলা সত্ত্বেও কিছু স্থানে লকডাউন শিথিল করার চিন্তা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। খবর এনডিটিভির

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নতুন নির্দেশিকা দেওয়া হবে চলমান লকডাউন শেষ হওয়ার পর। এতে লকডাউনের ক্ষেত্রে দেশের অনেক রাজ্যেরই নানা জেলায় বিধিনিষেধে যথেষ্ট শিথিলতা দেওয়া হবে। নতুন এই নিয়মটি ৪ মে থেকে কার্যকর করা হবে। তবে লকডাউন শিথিল করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি- এ তথ্যও জানানো হয়েছে।

সরকারি সূত্রে আরও জানা গেছে, করোনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত দেশটির অনেক স্থানে ৩ মের পরও লকডাউন বজায় থাকবে।
দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হটস্পট বা ‘রেড জোন’হিসাবে মনোনীত জেলাগুলোর সংখ্যা ১৭০ থেকে কমে এখন ১২৯ এ দাঁড়িয়েছে , তবে সংক্রমণমুক্ত জেলা বা ‘গ্রিন জোন’ হিসাবে চিহ্নিত এলাকাগুলোর সংখ্যাও কমেছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, আগে যেখানে গ্রিন জোনের সংখ্যা ছিল ৩২৫, এখন তা কমে হয়েছে ৩০৭। তবে একই সময়ে, নন-হটস্পট জেলাগুলির সংখ্যা, যাকে ‘অরেঞ্জ জোন’হিসাবে চিহ্নিত করেছে সরকার, তার সংখ্যা বেড়ে ২০৭ থেকে ২৯৭ এ পৌঁছেছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে জানানো হয়েছে, যেসব পরিযায়ী শ্রমিক, শিক্ষার্থী, তীর্থযাত্রী বা পর্যটকরা নিজের রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে গিয়ে লকডাউনের কারণে আটকা পড়ছেন, তাদের শরীরে যদি করোনা ভাইরাসের লক্ষণ না থাকে তবে তারা নিজেদের রাজ্যে ফিরে যেতে পারেন। এই পরিযায়ী শ্রমিকরা যাতে তাদের নিজেদের রাজ্যে ফিরে যেতে পারেন তার জন্যে সব ব্যবস্থা করার কথাও জানিয়েছে দেশটির সরকার।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে তিন সপ্তাহের জন্য প্রথম লকডাউন শুরু হয় ২৪ মার্চ। পরবর্তীতে তা ৩ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৫০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ হাজার ৭৪ জন।