সিঙ্গাপুরে কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরার অধিকার চায় মুসলিম নারীরা। দেশটির মুসলিমরা হিজাবের অধিকারের ব্যাপারে সরব হয়েছে। সম্প্রতি হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এক দাবির পক্ষে অনলাইনে ৫০ হাজার মানুষ তাদের স্বাক্ষর জমা দিয়েছে।

সিঙ্গাপুরের বেশির ভাগ জায়গায় মুসলিম নারীদের হিজাব পরার অনুমতি আছে। তবে কিছু কর্মক্ষেত্রে হিজাব ও স্কার্ফ নিষিদ্ধ। সিঙ্গাপুরের মুসলিমরা এটাকে কর্মক্ষেত্রের বৈষম্য হিসেবে উল্লেখ করছে।

সিঙ্গাপুরের একটি সরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন ফারাহ। তিনি কিশোর বয়স থেকে হিজাব পরলেও কর্মক্ষেত্রে তাঁকে হিজাব খুলতে বাধ্য করা হয়। তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে বলেছে, আমি হিজাব পরলে এখানে চাকরি করতে পারব না। আমি অসহায় বোধ করছি। এটা অন্যায্য। কেন হিজাব আমাদের চাকরি লাভের পথে বাধা হবে।’

ফারাহের মতো হিজাব পরিধান করার কারণে কর্মক্ষেত্রে বহু মুসলিম নারীকে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। হিজাব প্রশ্নে দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা রয়েছে সিঙ্গাপুরের রাজনীতিক ও প্রশাসনেও। দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট যিনি নিজেও হিজাব পরেছেন, তাঁকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে উত্তরে বলেন, এখানে বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই।

অন্যদিকে দেশটির মুসলিমবিষয়ক মন্ত্রী ইয়াকুব ইবরাহিম বলেন, ‘কিছু পেশায় কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরিধান করা সমস্যা। বিশেষত যেখানে একটি নির্ধারিত পোশাক রয়েছে।’ সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং বলেন, ‘হিজাবের প্রশ্নটি আমরা কেমন সিঙ্গাপুর গড়তে চাই সে সম্পর্কিত।’ উল্লেখ্য, নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুরে বসবাসকারীদের ১৫ শতাংশ মুসলিম। রয়টার্স অবলম্বনে

0000

আজকের জনপ্রিয়

0000