দৃশ্যমান হচ্ছে পদ্মা সেতু

0 second read
0
0
85

কাজ শুরুর প্রায় আড়াই বছর পর নদীর বুকে দৃশ্যমান হচ্ছে পদ্মা সেতুর একাংশ। দুটি পিলারের ওপর সেতুর প্রথম স্প্যানটি বসানো হবে আগামীকাল। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বছরের মধ্যে আরও একটি স্প্যান যোগ করা সম্ভব হবে। তবে মাওয়া প্রান্ত থেকে স্প্যান জাজিরায় নিয়ে যেতে নদীর তলদেশের গভীরতা সমস্যা তৈরি করলেও সেটিকে বড় বাধা মনে করছেন না প্রকল্প পরিচালক।

মাওয়ার ইয়ার্ড থেকে নদী পথে নিয়ে প্রথম স্প্যানটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জাজিরা প্রান্তের দিকে। ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু করে নির্ধারিত পিলারের কাছে স্প্যানটি নিয়ে যেতে সময় লেগেছে ৫ দিন।

এই স্প্যান বসানোর জন্য পুরো প্রস্তুত করে তোলা হয় ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলার দুটিকে। এক বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করা হয়েছে এ দুটি পিলারকে নদীর তলদেশ থেকে চূড়ান্ত অবস্থায় আনতে। এক একটি পিলারে রয়েছে ৬টি করে পাইল। ধীরে ধীরে ৩৯ নম্বর পিলারটিও প্রস্তুত করে তোলা হচ্ছে। চলতি বছরের মধ্যেই আরও একটি স্প্যান বসানোর লক্ষ্যে চলছে কাজ।

সেতুর পিলার ও স্প্যান দৃশ্যমান করাকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে মন্তব্য করে পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এতদিন সেতু দৃশ্যমান না হওয়ায় মানুষ দেখতে পায়নি। এখন যেহেতু দৃশ্যমান হচ্ছে তাই মানুষ সেতুর কাজের অগ্রগতি দেখতে পাবে’।

৩ হাজার ৬শ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রেন ব্যবহার করা হয়েছে স্প্যানগুলো পিলারের কাছে নিয়ে যেতে। মাওয়া প্রান্তে নদীর গভীরতা এ ক্রেনবাহী বার্জ চলাচলের জন্য ঠিক থাকলেও জাজিরা প্রান্তের কাছাকাছি গভীরতা কম হওয়ায় চালানো যায়নি তা। তাই অন্য বার্জের সাহায্যে স্প্যানসহ ক্রেনটিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, গভীরতার কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এটাকে মোকাবেলা করা অসম্ভব নয় তবে একটু কঠিন।

প্রাথমিকভাবে স্প্যানের রং সোনালি ঠিক করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা ধূসর করা হয়েছে। তাই মূল পদ্মা সেতুর রংটিও হবে ধূসর। এখন পর্যন্ত সেতুর কাজে ৬৬.৫ ভাগ অগ্রগতি হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, কাজ হয়েছে ৫৪ দশমিক চার চার ভাগ।

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *