চীনের হুবেই প্রদে’শের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা’ভাইরাস সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাণঘাতী করোনা’ভাইরাসের ভয়াবহতা দিন দিন বাড়ছেই।

তবে করোনা সংক্র’মণে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন ডায়াবেটি’স, হার্ট ফেইলিউর, কিডনি ফেইলিউ’র, হাঁপানি বা ক্রনিক ব্রংকাইটি’সের রোগীরা। এ ছাড়া আছেন যাদের রোগ প্রতিরো’ধক্ষমতা কম। যেমন কেমোথেরা’পি নেয়া রোগীরা।

ডায়াবে’টিস রোগীরা কেন ঝুঁকিতে

আমাদের দেশে বয়স্ক ব্য’ক্তিদের ডায়াবেটিস বেশি। তার ওপর আমাদের ডায়াবেটি’সের রোগীদের একটি বিরাট অং’শের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে’র বাইরে। ডায়াবেটিসে’র কারণে রোগীদের রোগ প্রতিরোধ’ক্ষমতা কমে যায়। এছাড়া তাদের জীবাণুর সঙ্গে লড়া’ই করার সক্ষমতা হ্রাস পায়।

আর ডায়াবেটি’সের রোগীদের কিডনি হৃদরো’গের জটিলতা দেখা দেয়। তাই ডায়াবে’টিস রোগীদের বড় ধরনের ঝুঁকি আছে করো’নাভাইরাসে সংক্রমি’ত হওয়ার।

করোনা প্রতিরো’ধে ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব বি’ষয় মেনে চলা জরুরি-

১. ডায়াবেটিস রোগীদের জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্টে’র সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎস’কের পরামর্শ নিতে হবে।

২. রক্তের শর্ক’রা নিয়ন্ত্রণে আনার সর্বোচ্চ চে’ষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎস’কের সঙ্গে কথা বলে ইনসু’লিন শুরু করতে হবে। ইনসুলিন দ্রুত’তম সময়ের মধ্যে শর্করা নিয়ন্ত্র’ণে সক্ষম।

৩. করোনা উপস’র্গ দেখা দিলে নিজেকে আলাদা রাখতে হবে। শরীর বেশি খারা’প না হলে হাসপাতালে না যাওয়াই ভালো। তবে চিকিৎস’কের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যা’হত রাখতে হবে।

৪. যাদের বয়স ৬০ বছরে’র বেশি ও ডায়াবেটিস আছে, তারা নিজেরা কোয়ারেন্টি’নে থাকুন। বাজার, শপিং মল, জনবহু’ল জায়গা, সামাজিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলতে হবে। সংক্রম’ণের হাত থেকে বাঁচতে যে কারো থেকে অন্ত’ত তিন ফুট দূরত্বে থাকতে হবে।

৫. পার্কে বা বাইরে হাঁট’তে যাওয়া যাবে না। শর্করা নিয়ন্ত্রণে বাড়ি’তে, বারান্দায় বা করিডরে হাঁটতে হবে ও হাল’কা ব্যায়াম করতে পারেন।

৬. ২০ সেকেন্ড ধ’রে হাত ধোয়াসহ ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্ন’তা বজায় রাখতে হবে। টাকাপয়সা, খবরের কাগজ, পা’র্সেল ইত্যাদি জিনিস স্পর্শ কর’লে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

৭. ঘরে কেউ অসুস্থ হলে ডায়া’বেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আ’লাদা করে ফেলতে হবে। বাইরে থেকে আনা কো’নো খাবার খাওয়া যাবে না।