প্রায় এক যুগ আগে বিয়ে করেন ইজিবাইকচালক বুলবুল মিয়া (২৫)। তখন স্ত্রীর চাচাতো বোনের জন্ম দেখলেও সেই বোনকে প্রায় তিন মাস আগে ধর্ষণ করে ধরা খেয়ে পার পেয়ে যান। আর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী (শ্যালিকা) তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দুলাভাই বুলবুলের ঘরে আসে সন্তানের অধিকার আদায়ে।

এ ঘটনা ঘটে ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌরসভার চণ্ডীপাশা এলাকার ঢুলিপাড়া মহল্লায়। পরে আজ শুক্রবার দফায় দাফায় সালিসেও ঘটনাটির কোনো ফয়সালা দিতে পারেননি সালিসকারীরা। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই মহল্লার মো. জলিলের ছেলে মো. বুলবুল মিয়া প্রায় এক যুগ আগে বিয়ে করেন পাশের বাড়ির এক কিশোরীকে। এত বছরেও তাঁদের কোনো সন্তান হচ্ছিল না। পাঁচ মাস আগে একই বাড়ির স্ত্রীর চাচাতো বোনকে (সপ্তম শ্রণির ছাত্রী) ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন বুলবুল। পরে ঘটনাটি স্কুলছাত্রী পরিবারকে বলে দেয়।

এ নিয়ে সালিস-দরবারে ঘটনাটি ধামাচাপা দিলেও বর্তমানে ওই স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা। একপর্যায়ে স্থানীয় মৌলভী দিয়ে দোয়া পড়িয়ে বিয়ে করে ফেলেন বুলবুল। কিন্তু এ ঘটনা কোনোভাবেই প্রথম স্ত্রী মেনে নিতে পারেননি।

জানা যায়, স্ত্রীকে মানাতেই বুলবুল প্রচার করেন- এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। কোনো ধরনের দায় তিনি নেবেন না। কিন্তু এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাতে শ্যালিকা নিজের সন্তানের পিতার দাবিতে বুলবুলের ঘরে প্রবেশ করলে ঘটনাটি ব্যাপক জানাজানি হয়। চলে ব্যাপক আলোচনা।

এ বিষয়ে বুলবুল বলেন, ‘যা হওয়ার তো অইছেই, অহন আপনেরা আমারে পার করুইন।’ 

বুলবুলের প্রথম স্ত্রী বলেন, আমি আর তাঁর ঘর করতাম না।