চা তো আমরা সবা’ই খাই। কেউ লাল চা, কেউ দুধ চা! কিন্তু কখনও হ’লুদ গুঁড়া দিয়ে বানানো চায়ের স্বাদ পরখ করে দেখেছেন কি? একাধি’ক গবেষণায় দেখা গেছে, চায়ে অল্প হলুদ’ গুঁড়া মিশিয়ে খেলে শরীরের অন্দরে এমন পরিবর্তন হতে শু’রু করে যে কোনও রোগই আক্রম’ণের সাহস পায় না। নিয়মিত হলুদ গুঁড়া মেশা’নো চা খেলে অনেক উপকার হয় :

১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বাড়ায় :
হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে শরীরের অন্দ’রে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে জীব’নের শেষ দিন পর্যন্ত সুস্থ থাকতে পারবেন।

২) স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে :
হলুদে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডে’ন্ট, যা রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান শরী’রে থেকে বের করে ব্রেন সেল ড্যামেজের আশ’ঙ্কা কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে কার্কিউমিন ম’স্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে স্মৃতি’শক্তি লোপ পাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৩) আর্থ্রাই’টিসের কষ্ট কমে :
সকাল-বিকাল মিলিয়ে দু-কাপ হলুদ চা পা’ন করলে হলুদে থাকা কার্কিউমিন শরীরে অ্যা’ন্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ফলে জ’য়েন্ট পেন ও যন্ত্রণা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪) খারাপ কোলেস্ট’রলের মাত্রা কমায় :
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কার্কিউ’মিন রক্তে জমতে থাকা এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টে’রলের মাত্রা কমায় যাতে স্বাভাবিভাবেই হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভা’বনাও হ্রাস পায়।

৫) ক্যান্সার রো’গকে দূরে রাখে :
ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউ’টের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে হলুদে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডে’ন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ, শরীরে যাতে ক্যান্সার সেল জন্ম নিতে না পারে সেদিকে খেয়াল করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যা’ন্সার রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

৬) হার্টের স্বাস্থ্যে’র উন্নতি ঘটে :
একাদিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়’মিত হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে হার্টে রক্ত সরবরাহকারি আর্টারিদের কর্ম’ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষ’তি হওয়ার বা হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশ’ঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, স্ট্রোকের মতো ম’রণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আ’শঙ্কা কমাতেও হলুদ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই হার্টকে যদি দীর্ঘ’দিন চাঙ্গা রাখতে চান, হলুদ দিয়ে বানা’নো চা খান।

৭) হজমশক্তির উন্নতি ঘটায় :
বাঙালি মানেই খাদ্য’রসিক,হলুদে উপস্থিত একাধিক উপকা’রি উপাদান পাকস্থলিতে থাকা উপকারি ব্যাকটেরিয়া’র শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজম ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে বদ-হজ’ম দূরে পালায়।