বরগুনার তালতলীতে ৭ বছরের মেয়ে’কে গাছের সঙ্গে বেঁধে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে মাকে গণধ’র্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নারী বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা করতে গে’লে পুলিশ গণধর্ষণের মামলা না নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভি’যোগে মামলা নিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৩ এপ্রিল উপ’জেলার শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত এলাকায়।

ভুক্ত’ভোগী বলেন, ২৩ এপ্রিল সকাল ৮টার দিকে শ্বশুর বাড়ি পিরো’জপুরের মঠবাড়িয়া থেকে রওনা দিয়ে পা’থরঘাটা পৌঁছান। সেখান থেকে ট্রলার’যোগে তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনি’য়নের শুভসন্ধ্যার তেতুলবাড়িয়া লঞ্চ’ঘাটে সকাল ১০টার দিকে নামেন তিনি। তার’পর এক মোটরসাইকেল চালকের সঙ্গে নিশা’নবাড়ীয়া খেয়াঘাট যাওয়ার চুক্তি করলে তা’কে নিশানবাড়ীয়া খেয়াঘাট না নিয়ে জঙ্গ’লে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে মোটরসাইকেলচালক মোবা’ইলে ডেকে আরও চারজনকে আনেন। তারপরে ও’রা সবাই মিলে আমার মেয়েকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে খুনের ভয় দেখি’য়ে আমাকে সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পা’লাক্রমে ধর্ষণ করে।

পরবর্তীতে তারা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফে’লে রেখে চলে যায়। আমার জ্ঞান ফেরার পরে স্থা’নীয় লোকজনের সহায়তায় অন্য মোটরসাইকেলযোগে নিশা’নবাড়িয়া এসে খেয়া পার হয়ে বাড়িতে পৌঁছাই। তিনি আ’রও বলেন, লোকলজ্জার ভয়ে এ ব্যাপারে আমি কোথাও অভিযোগ করিনি। কিন্তু বিষয়টি ব্যাপক’ভাবে জানাজানি হওয়ায় আমি থানায় এসে বিচা’র চাইতে বাধ্য হই।

এ ঘটনায় একাধিক স্থানীয়রা জানান, মোটরসাইকেল চালক জ’হিরুল ১০টার দিকে ওই নারীকে শুভ’সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের জঙ্গলের দি’কে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে এমাদুল, নজরুল, সোহাগ, সাইদুল ও জঙ্গলের দিকে যায়। বিকাল ৪’টার দিকে ওই নারী রাস্তায় এসে জনসম্মুখে উক্ত ঘটনা প্রকাশ করলে তারা অন্য মোটরসাই’কেলযোগে তাকে নিশানবাড়িয়া খেয়াঘাটে পাঠিয়ে দেই।

এ ব্যাপারে তালতলী থানার ওসি মো. কামরু’জ্জামান জানান, অভিযোগ দিতে ভুক্তভোগী নিজেই থানায় এসে’ছেন। তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযো’গে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

গণধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, ভুক্তভোগী নারী আমাদের কাছে ধর্ষণ চেষ্টার কথা বলেছেন, আমরা সেই মাম’লাই নিয়েছি।