মহামারী করোনায় হঠাৎ ঘরবন্দি মানুষগুলোর কর্মহীন জীবন কাটছে অলসতায়। খাওয়া, ঘুম আর বিনোদন এই কাটছে সারাবেলা। শারীরিক এই অলসতা রূপ নিতে পারে ভয়ংকর। ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে কয়েকগুণ। তাই হতে হবে স্বাস্থ্য সচেতন।

সকালে খালি পেটে পানি খাওয়া : ঘুম থেকে ওঠেই সকালে খালি পেটে পানি খেতে হবে কমপক্ষে এক লিটার। আর সারাদিনের জন্য পুদিনা পাতা লবণ আর একটু লেবুর রস মেশানো পানি আলাদা কয়েকটি বোতলে সাজিয়ে। আর সাজানো বোতলগুলো পাশেই রেখে দিতে হবে একটি গ্লাস। যখনই পিপাসা পাবে তখনই খেয়ে নিতে হবে পানি। আর এভাবে পানি খাওয়ার অভ্যাস এক সপ্তাহে ওজন কমিয়ে দিতে পারে অনেকটা।

ছাড়তে হবে সকাল বেলার খাবার : সকালবেলা না খেলেও ওজন কমবে অনেকটা। রাতের পর দুপুর পর্যন্ত উপবাস থাকা হবে প্রায় ১৬ ঘণ্টা। যদি খুব বেশি ক্ষুধা লাগেই তবে এক কাপ ব্ল্যাক কফি খেয়ে নিলেই হবে। শুরুতে সকাল বেলার খাবার না খাওয়াটা খুব কষ্টকর হবে তবে অভ্যাসে পরিণত করলে কমবে ওজন!

সিঁড়িতে ওঠা-নামার অভ্যাস : লকডাউন এ বাইরে যাওয়ার ফুরসত নেই। ফলে শরীরের ক্যালরি বার্ন হচ্ছে না। তাই একটি চমৎকার সুযোগ হলো প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০ সিঁড়িতে উঠা নামার অভ্যাস করা। যদি সিঁড়িতে না উঠা যায় তাহলে হাজারখানেক লাফ দিতে হবে। লাফালাফিতে হলেও কিছুটা ওজন কমবে।

জাংক ফুড এড়িয়ে চলুন : করোনার মহামারিতে অনেকে খাবার পাচ্ছে না। তাই যথাসম্ভব জাংক ফুড এড়িয়ে চলতে হবে এর পরিবর্তে চিনাবাদাম, মাখন পনির জাতীয় খাবার রেখে দিতে হবে। কোকাকোলা কিংবা পেপসি মতো পানীয় নয় লেবুর শরবত পান‌ করুন।

ফোনে কথা বলার সময় হাঁটুন : ঘরবন্দি সময়গুলোতে যোগাযোগ হয় মোবাইলের মাধ্যমে। তাই ফোনে চ্যাট করুন আর কথা বলুন ওই সময়টাতে বসে না থেকে হাঁটতে থাকুন। প্রতিদিন ১০০০০ স্টেপ হাঁটার চেষ্টা করুন। শরীরের কিছুটা চলাচল হলে ওজন কমে যাবে অনেকখানি।

পুরোপুরি অন্ধকার ঘরে ঘুমান : ওজন কমানোর সবচেয়ে বড় শর্ত হলো ভালো ঘুম। যদি ভালো ঘুম না হয় তাহলে সারাদিনের অস্থিরতা ওজন বাড়িয়ে দেবে। তাই ঘুমানোর সময় সব ধরনের লাইট বন্ধ করে রুমটা কি পুরোপুরি অন্ধকার বানিয়ে ঘুমান।