করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেদের বাঁচাতে মাস্ক পরতে হবে। এছাড়া সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সাবান বা অ্যালকোহল বেস্ট হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা ইত্যাদি মেনে চলার কথাও বলা হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে। বাড়িতে কোনো অসুস্থ রোগী থাকলে বা রোগীর কাছে গেলে এবং হাঁচি কাশি সর্দির লক্ষণ দেখা দিলেও মাস্ক ব্যবহারের কথা উল্লেখ করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু অত্যাধিক চাহিদার কারণে বাজারে ঘাটতি দেখা দিয়েছে মাস্কের। সাধারণ মানুষ অনেকেই পাচ্ছেন না এই মাস্ক।

কেউ কেউ মাস্ক এর পরিবর্তে ব্যবহার করছেন রুমাল বা গামছা। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, রুমাল বা গামছা জাতীয় বস্তু দিয়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে কিছুতেই আটকানো সম্ভব না। কারণ ভাইরাস এতটাই সূক্ষ্ম হয় যে, তা অল্প একটু ছিদ্রের মধ্য দিয়ে অনায়াসে প্রবেশ করতে পারে। তাই সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

মাস্ক তৈরি করার পদ্ধতি
– মাস্ক তৈরি করতে চার ইঞ্চি বা তার একটু বেশি সুতি বা টেরিলিন কাপড় নিয়ে নিন। 
– নাক থেকে থুতনি পর্যন্ত পুরোপুরি ঢেকে থাকবে এমন মাপ নিয়ে কাপড়টি কেটে নিন। 
– ত্রিস্তরীয় মাস্ক তৈরীর জন্য সমান মাপের তিনটি কাপড় উপরে উপরে রাখবেন। 
– এবার একটির সঙ্গে আরেকটি সেলাই করুন। সেলাই করার সময় আধা ইঞ্চি পর পর ভাঁজ করে নিন। 
– সেলাই এর পর চার কোণে কাপড়ের দড়ি লাগিয়ে নিন মাথা পর্যন্ত। আবার দুই পাশে রাবার লাগিয়ে নিতে পারেন কান পর্যন্ত। 

মাস্ক তৈরি শেষ। তবে ব্যবহারের পর অবশ্যই রোজ ভালো করে সাবান জল দিয়ে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করবেন। একটি মাস্ক পরিষ্কার না করে রোজ পরবেন না এর পাশাপাশি ভেজা মাস্কও পরে বাইরে বের হবেন না।