মারজান আহমেদ। হার না মানা সৈনিকদের দলে এক উজ্জীবিত নাম।

নিজেকে সফল করতে ক্যারিয়ারে এবং দক্ষতা অর্জন ও উন্নয়নে

পিছপা না হওয়া এই নারী কাজ করছেন সামাজিক উন্নয়নের পেছনেও।

পেশায় ফ্রিল্যান্সার মারজান আহমেদ নিজেকে ঘরের চৌকাঠে সীমাবদ্ধ না রেখে উড়ে বেড়াচ্ছেন গগণজুড়ে।

কারণ ইতিমধ্যেই তিনি ট্রেইনি পাইলট হিসেবে বিচরণ করছেন গগণে।

এরই পাশাপাশি মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে ‘জীবনের জন্য রক্ত’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপের

কো-ফাউন্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেও রক্তদান করেন নিয়মিত।

এছাড়াও ইতিমধ্যেই মডেল হিসেবে কাজ করেও বেশ সুনাম অর্জন করেছেন মারজান।

সম্প্রতি শেষ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার মেলা ‘সফটএক্সপো’তে ১৫ জন ফ্রিল্যান্সারকে পুরস্কৃত করা হয়েছে৷ 

তাদের একজন মারজান আহমেদ৷

যশোরের এমএম কলেজের ইংরেজি সাহিত্যের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী মারজান৷ স্বামীর চাকরিসূত্রে যশোরে থাকা৷ 

কম্পিউটারের প্রতি আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই৷

তাই অষ্টম শ্রেণিতে থাকতেই কম্পিউটারের উপর প্রথম প্রশিক্ষণ নেন তিনি৷ 

এরপর মাধ্যমিকের পর করেন ডিপ্লোমা৷ ডিজাইনিং এর প্রতি আগ্রহ থাকার কারণে এই বিষয়টা ভালভাবে শেখার চেষ্টা করেছেন৷

কঠোর পরিশ্রমী এক নারীর নাম মারজান আহমেদ।

২০১০ সালের মে মাসে পুরোপুরি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন।

ডাটা এন্ট্রি, কনটেন্ট রাইটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ওয়েব ডিজাইনিং, সোশ্যাল মার্কেটিংয়ের কাজ দিয়েই শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিং।

মারজান আহমেদ এই ফ্রিল্যান্সার ডট কমেই মূলত কাজ করেন।

আর এখানে ৭৩ লাখ ফ্রিল্যান্সারের মধ্যে তার অবস্থান ১৩তম।

বাংলাদেশে দ্বিতীয়। ফ্রিল্যান্সার ডট কমে নারীদের মধ্যে বিশ্বে তার অবস্থান এক নম্বর। 

কাজের পর্যালোচনা বা রিভিউ মারজানের প্রোফাইলে জমা পড়েছে চার হাজার ৩৩৩টি।

বেশির ভাগ রিভিউতে পাঁচ তারকা (ফাইভ স্টার) পেয়ে থাকেন তিনি। মারজানের প্রোফাইলে লেখা আছে, প্রতি ঘণ্টা কাজের জন্য তার পারিশ্রমিক ১৩০ মার্কিন ডলার।

0000

আজকের জনপ্রিয়

0000