আবারও একটি ভিডিও প্রকাশ করে এমন কথাই জানালো অ’ভিজ্ঞ আনন্দ নামের জ্যোতিষর্চায় পারদর্শী এই কি’শোর। কয়েকদিন আগে ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে অ’ভিজ্ঞ বলে, করো’না ভাই’রাসই শেষ নয়। চলতি বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের ৩১ মা’র্চ পর্যন্ত কোনও বড় বিপদ অ’পেক্ষা করে রয়েছে। যা করো’নার থেকে আরও ভ’য়ংকর।

এবার প্রকাশিত নতুন ভিডিওতে সে বলে, নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হতে পারে, এমন যে কোনও বিষয় থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। পানি এবং বায়ুদূষণ বর্তমানে প্রায় কমে গিয়েছে। এর ফলে জৈব পদ্ধতিতে চাষের ক্ষেত্রে উপকৃত হতে পারেন কৃষকরা। জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা ফসল আমাদের সুষম পুষ্টি জোগাবে। আর শরীর যতো বেশি ভালো থাকবে, ততোই ভাই’রাস সংক্রমণের আশ’ঙ্কাও কমে যাবে। মাটি ছোঁয়া যাবে এমন কাজ করারও পরাম’র্শ দিয়েছে অ’ভিজ্ঞ আনন্দ।

ওই ভিডিওতে সে আরও দাবি করে, চলতি বছরের ২৯ মে বিশ্ব থেকে ধীরে ধীরে বিদায় নিতে শুরু করবে এ মহামা’রি। ওই তারিখের পর থেকেই এর প্রভাব কমবে। মানুষ আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করবেন। তবে চলতি বছরের জুনের আগে পৃথিবীতে ভালো কিছু হবে না। জুলাই থেকে একেবারেই কমতে পারে করো’না সংক্রমণের সম্ভাবনা।

ভ্যাকসিন আবিষ্কার নিয়ে এই কি’শোর জ্যোতিষী বলেছে, ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে। তবে প্রতিরোধ ক্ষমতা না বাড়ালে সাধারণ মানুষকে বাঁ’চানো দুষ্কর হবে। তাই পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসি পাতা খাওয়ার পরাম’র্শ দিয়ে সে বলেছে, এরজন্যে পানিতে কাঁচা হলুদ আর আদা দিয়ে তা গরম করে ভাপ নিতে হবে। এতে ভাই’রাস নাক বা কান দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।

এর আগে ২০১৯ এর ২২ আগস্ট ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে অ’ভিজ্ঞ আনন্দ জানিয়েছিলো করো’না ভাই’রাসের কথা। সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও তখন ওই ভিডিওতে সে বলেছিলো, বিশ্বজুড়ে একটি রোগ মানুষকে সংকটে ফেলবে। সেই কি’শোর জ্যোতিষীর কথা কার্যত ফলে যাওয়ায় নতুন করে আবারও খবরের শিরোনাম হয়েছে সে।

আনন্দের ভবিষ্যদ্বাণীর ভিডিও নিয়ে ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা শুরু হয়েছে। গত বছর মহামা’রির ইঙ্গিত দেয়ায় এবার তার এই ভবিষ্যদ্বাণীতেও ভরসা করছেন অনেকেই। তাই দেখার বিষয় হচ্ছে, এই কি’শোর জ্যোতিষীর কথা বাস্তবে রূপায়িত হয় কি না। সূত্র : সংবাদপ্রতিদিন