যুক্তরাজ্যের পরিসংখ্যান বিভাগ অফিস অব নাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস অনুসারে, নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া প্রতি ১০ জনের অন্তত ৯ জনের মধ্যেই আগে থেকে কোনো না কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মার্চে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যে ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে, আর তাদের তথ্য পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে সংস্থাটি।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া সবচেয়ে বেশি মানুষের ছিল হৃদরোগ, এরপর ডিমেনশিয়া বা স্মৃতি ভুলে যাওয়া ও শ্বাস প্রশ্বাসজনিত সমস্যা। এছারাও বলা হচ্ছে যে, গড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তাদের প্রত্যেকের মধ্যে গড়ে দু’টির বেশি জটিল রোগ ছিল।

বর্তমানে ওএনএস যাচাই করার চেষ্টা করছে, বয়স এবং লিঙ্গভেদে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হারে কতটা তারতম্য রয়েছে। তাদের মতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে পুরুষদের মারা যাওয়ার সম্ভাবনা নারীদের চেয়ে দ্বিগুণ। আর যদি বয়স হয় ৬০ এর উপরে তাহলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যায় বহুগুন।

“বর্তমানে যে পরিমাণ মানুষ মারা যাচ্ছেন, সেই সংখ্যাটি প্রত্যাশিত মোট মৃত্যুর সংখ্যার আনুমানিক হিসেবের চেয়ে কয়েকগুন বেশি।” – এমনটি বলেন বিবিসি’র পরিসংখ্যান বিভাগের প্রধান রবার্ট কাফ।

তিনি আরও বলেন যে, “যেসব মানুষ হয়তো এই মাসে মারা যেত, অনেকক্ষেত্রে তাদের মৃত্যুর কারণ হচ্ছে করোনাভাইরাস। তবে ভাইরাসটি এর চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলছে।” “মোট মৃত্যুর প্রত্যাশিত সংখ্যাটা বাড়িয়ে দিয়েছে করোনাভাইরাস।” “যেসব মানুষের এক বা একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল তাদের সম্ভাব্য আয়ুষ্কাল এমনিতেই কম থাকে, কিন্তু করোনাভাইরাস তাদের জীবন থেকে কী পরিমাণ সময় কেড়ে নিলো, সেটি এখনই বলা কঠিন”, বলেন রবার্ট কাফ।

সূত্র : বিবিসি বাংলা