করোনা পরিস্থিতির বিশেষ এ সময়ে বদ’লি করা হয়েছে বিশেষায়িত দুই সরকারি হাসপাতালের পরিচালককে। অভিযোগ রয়েছে, সরবরাহকৃত এন-নাইনটি ফাইভ মা’স্কের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় মুগদা জেনারেল হাসপা’তালের পরিচালককে ওএসডি এবং খুলনা মেডিকেল কলেজের পরিচালককে পাবনা মানসি’ক হাসপাতালের পরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এসব অভিযোগ সত্য নয়, নিয়মিত বদলির অংশ হিসেবে তাদের পদে পরিবর্তন এসে’ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাজধানীর মুগ’দা জেনারেল হাসপা’তালের পরিচালক ড. শহিদ মোহাম্মদ সাদিকুল ইসলাম জানান, এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে নেই। প্রশ্নের উত্তর আপনাদের কাছেই আছে। আপনারা ভালো উত্ত’র দিতে পারবেন।

অন্যদিকে পি’পিই এবং মাস্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদকে দুইবার বদলি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসো’সিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউ’দ্দিন বলেন, আমরা ইতিমধ্যে বার্তা পেয়েছি। আমরা দেখছি। রবিবার বা সোমবার আমরা মন্ত্রণালয়ে যাবো এবং মন্ত্রী মহো’দয়ের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবো।

এ ব্যাপারে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও অধি’কার রক্ষায় কাজ করে যাওয়া অন্যতম বড় সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি অ্যান্ড রাইটসের (এফডিএসআর) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাত মিল্ট’ন জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে লুটপাট ও দুর্নীতি তৎপর। এবারও করো’নাকে সামনে রেখে মাস্ক ও অন্যান্য সাম’গ্রী বাণিজ্যে তৎপর হয়েছে। তখন তাদের অপকর্ম ঢাকতে এবং দেশবাসীর দৃষ্টি অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয়ার জন্য তারা এই বদলির হয়রা’নি এবং নির্যাতনের কাজগুলো করছে।

বদলি এবং ওএসডির ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হা’বিবুর রহমান খান জানান, আসলে এর সঙ্গে এটার কোন মিল নেই। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এখন করোনা না থাকলে এগুলো কেউ খেয়াল’ও করে দেখতো না।

সূত্র: নিউজ টোয়েন্টিফোর