কোভিড-১৯ মহামারির কারণে যেসব ব্যবসা ভার্চুয়ালি করা সম্ভব নয় সেগুলোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ তালিকায় থাকতে পারে জিম, সুইমিং পুল, শপিং মল ও সিনেমা হল। আরোপিত অবরোধের (লকডাউন) কারণে এসব ব্যবসা বন্ধ হয়েছে আগে।

ভারতীয় অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিং তিনটি জিমের স্বত্বাধিকারী। স্বাভাবিকভাবেই তার ব্যবসায় হুট করে বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে করোনাভাইরাস। এ নিয়ে বিনোদন ভিত্তিক ওয়েবসাইট বলিউড হাঙ্গামার সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম লাইভে আলাপচারিতায় অংশ নেন তিনি। কঠিন সময় কীভাবে সামাল দিচ্ছেন তা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

রাকুলের কথায়, ‘এটাই এখন আমার জন্য বিশাল ঘা। ভারতে জিমগুলো বন্ধ হয়েছে সবার আগে। জিমের ভাড়া কিন্তু কোনোভাবে কমেনি। এক্ষেত্রে তিনটি জিমের মালিক হিসেবে কোনও ছাড় পাইনি। গত মাসে জিমের প্রশিক্ষক ও কর্মীদের বেতন কাটিনি। কিন্তু এপ্রিলে ৬০-৭০ শতাংশ বেতন দিচ্ছি। কে কী কাজ করে তার ওপর নির্ভর করে বেতন কেটেছি। তাদেরও পরিবার চালাতে হয়। হুট করে তাদের চাকরি থেকে বাদ দিতে চাই না। তবে আমার মতো ব্যবসায়ীরা বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।’
২৯ বছর বয়সী এই তারকা মনে করেন, জিমে আবারও নিয়মিত যাওয়ার আগে মানুষ অনেক সময় নেবে। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে জিম ও সিনেমা হল সবশেষে খুলবে, কারণ এসব জায়গায় মানুষ দলবেঁধে আসে। তাই এসব স্থান সংক্রমণের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। জানি না শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে।’
অনির্দিষ্টকালের জন্য রাকুল শুটিং করতে পারছেন না। তার জিম ব্যবসাও বন্ধ। তবুও এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের জন্য সাধ্যমতো সাহায্য করছেন তিনি। ভারতের গুরগাঁওয়ে নিজেদের বাড়ির কাছের বস্তিতে ২০০ দরিদ্র পরিবারকে খাবার দিচ্ছেন।
ভারতের দক্ষিণী ছবির পরিচিত মুখ রাকুলের বলিউডে অভিষেক হয় ২০১৪ সালে ‘ইয়ারিয়া’ ছবির মাধ্যমে। এর চার বছর পর নীরাজ পাণ্ডের ‘আইয়ারি’তে অভিনয় করেন তিনি। গত বছর অজয় দেবগণের বিপরীতে ‘দে দে পেয়ার দে’ ছবিতে দেখা যায় তাকে। এছাড়া ২০১৯ সালে মুক্তি পেয়েছে তার ‘মারজাবা’।
রাকুলের হাতে এখন আছে জন আব্রাহামের সঙ্গে ‘অ্যাটাক’, অজয় দেবগণের সঙ্গে ‘থ্যাংক গড’, রাজকুমার রাওয়ের সঙ্গে ‘সিমলা মিরচি’, শঙ্করের পরিচালনায় কমল হাসানের বিপরীতে তামিল ছবি ‘ইন্ডিয়ান টু’।