করোনাভাইরাস পরীক্ষায় চীনের দেয়া র‍্যাপিড টেস্ট কিটের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠায় এর ব্যবহার স্থগিত করছে ভারত।দেশটির বিভিন্ন প্রদেশ থেকে এর ফলাফল নিয়ে বিতর্কের পর এ সিদ্ধান্ত নেয় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)। খবর-আনাদলু এজেন্সি ও ইন্ডিয়া টুডে।

মঙ্গলবার সংস্থাটির সিনিয়র বিজ্ঞানী ডাক্তার রমন গঙ্গাভেদকার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানান, র‌্যাপিড কিট ও পিসিআরে করোনা পজেটিভ পরীক্ষা করলে ভিন্নতা পাওয়া গেছে।যার পরিসর ৬ শতাংশ থেকে ৭১ শতাংশ। এ সময় আগামী দুই দিনের জন্য কিট ব্যবহার বন্ধ রাখার কথা জানানো হয় সংস্থাটির পক্ষ থেকে।অবশ্য নির্দেশিকা জারির আগে থেকেই এই পরীক্ষা বন্ধ রেখেছে রাজস্থান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রমথ পর্যায়ে ভারতকে ৩ লাখ টেস্টি কিট পাঠিয়েছে চীন। দেশটি থেকে মোট সাড়ে ৬ লাখ কিট পাঠানোর কথা রয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানায়, এর আগে রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্য র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট নিয়ে অভিযোগ তুলেছিল। রাজ্যগুলোর দাবি ছিল, ওই টেস্ট কিটগুলোর রোগনির্ণয়ের ক্ষমতা অত্যন্ত কম। শতাংশের হিসাবে তা মাত্র ৫.৪। এর পরেই র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট আগামী দু’দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে আইসিএমআর। কিটগুলো নিয়ে তদন্ত করবে বলেও জানায় সংস্থাটি।

র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট কিট নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের গ্লোবাল অ্যাডভাইসরি কমিটির সদস্য চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলছেন, ‘কিছু কিট চীন থেকে এসেছে। সেগুলো খারাপ বেরিয়েছে। এগুলি মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সংরক্ষণ করতে হয়। তা রাখা হয়েছে কিনা জানি না।’

এর পাশাপাশিই আবার তিনি বলছেন, ‘যেহেতু এ রাজ্যে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা বেশি, তাই র‌্যাপিড টেস্ট ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এই টেস্টের মাধ্যমেই প্রাথমিকভাবে ঝাড়াই বাছাই করা যাবে। এটা আসলে স্ক্রিনিংয়ের কাজ করবে।