ভয়াবহ হয়ে উঠছে ভার’তের করোনা পরিস্থিতি। গতকাল একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণ’হানির রেকর্ড দেখলো ভারত। দেশটিতে শনিবার মৃত্যুবরণ করে’ছেন ১০০ জন। মোট মৃত্যু বেড়ে এক হাজার ৩২৩ জনে দাঁড়া’ল। প্রশ্ন উঠছে তবে কি করোনার পরবর্তী মৃত্যুপুরী ভারত?

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, দেশ’টিতে কোভিড-১৯ এ নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪৪২ জন। আক্রান্তের সং’খ্যা বেড়ে দাঁড়ি’য়েছে ৩৯ হাজার ৯৮০ জনে। মোট সুস্থ হয়েছেন ১০ হা’জার ৮১৯ জন।

করোনাভাই’রাসের কারণে ভারতে চলমান লকডাউন ৪ মে’র পরে আরো দুই সপ্তাহ বৃ’দ্ধি করা হয়েছে। ভারতের স্ব’রাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৫ অনুযায়ী এ বিষ’য়ে একটি আদেশ জারি করেছে।

এছাড়া ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী দেশটির জেলা’গুলোকে লা’ল (হটস্পট), সবুজ ও কমলা অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে লকডাউনের সময় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী নতুন একটি দি’কনির্দেশনা প্রকাশ করেছে।

নির্দেশনায় সবুজ ও কমলা অঞ্চলে থাকা জে’লাগুলোতে চলাচলের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য শি’থিলতা দেখানো হয়েছে। যেসব জেলায় এখন পর্যন্ত বা গত ২১ দিনের মধ্যে নিশ্চিত করে কেউ করো’নাভাইরাসে আক্রান্ত হননি সেগুলো সবুজ অঞ্চলে পড়েছে। আ’র বর্তমানে মো’ট আক্রান্ত, সংক্রমণ দ্বিগুণ হওয়ার হার, পরীক্ষা বৃদ্ধি ও নজরদারির ফলাফলের ওপর ভি’ত্তি করে কিছু জেলাকে লাল অঞ্চলে রাখা হয়েছে। যে জেলাগুলো লাল বা সবুজ অঞ্চলের মাঝে নেই সেগুলো থাকছে কমলাতে।

বিভিন্ন জেলাকে লাল, সবুজ ও কমলা অঞ্চলে রাখার ত’থ্য প্রতি সপ্তাহে বা প্রয়োজনে আরো আগে হালনাগাদ ক’রা হবে এবং তা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে জানাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’গুলো তাদের বিভিন্ন জেলাকে লাল ও কমলা অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যেগুলোকে লাল ও কমলা হিসেবে চিহ্নিত করবে সেগুলোর শ্রেণীকরণ তারা হ্রাস কর’তে পারবে না।

সূত্র- ওয়ার্ল্ডোমিটার, ইন্ডিয়া টুডে।