পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সোমবার বিকেল থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। মূলত মূল্যবৃদ্ধির দাবিতে তারা পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। তবে রফতানিকারক ও সরকারের এমন সিদ্ধান্তে নাখোশ হয়েছেন ভারতের পেঁয়াজ চাষী ও ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার ভারতের এএনআই-এর প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে আসে।

মহারাষ্ট্রের নাসিকের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘পেঁয়াজ রফতানির ওপর সরকার যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা অবশ্যই ভুল সিদ্ধান্ত। কারণ, আমরা আপাতত এটি মজুদ করতে পারব না। ২০-২৫ রুপিতে চাষীরা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। উৎপাদনও প্রচুর পরিমাণে হয়েছে। প্রতিদিনই বাজারে পেঁয়াজ আনছেন চাষীরা। এখন পেঁয়াজ মজুদ করে লাভ কী? এত পেঁয়াজ রাখব কোথায়? সব পচে যাবে। তখন ২-৩ রুপিতেও বিক্রি হবে না। আবার এত পেঁয়াজ চাষীরাও মজুদ করে রাখতে পারবেন না। ফলে রফতানি বন্ধ করায় ব্যবসায়ীদেরও ক্ষতি, চাষীদেরও ক্ষতি।’

একজন পেঁয়াজ চাষী বলেন, ‘পেঁয়াজ রফতানি বন্ধে সবচেয়ে বড় ক্ষতি চাষীদের। চাষীরা এমনিতেই সঠিক দাম পান না। ব্যবসায়ীরা কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করেন। তারপর রফতানি বন্ধের ফলে পেঁয়াজ পঁচে যাবে, ব্যবসায়ীরা কিনবেন না। ক্ষতি হবে সব চাষীদের।’

সোমবার সকালে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে ৫০ টন পেঁয়াজ ঢোকার পরপরই দেশের সবগুলো বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারতের পেঁয়াজ রফতানিকারকদের সংগঠন। ফলে বেনাপোলের ওপারের পেট্রাপোলে আটকা পড়েছে পেঁয়াজভর্তি প্রায় দেড়শ’ ট্রাক। 

0000

অবশ্যই পড়ুন

0000