করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের ওপর ‘সেপসিভ্যাক’ ওষুধ পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে ভারতের চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআর। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওষুধ হিসেবে প্রয়োগের পাশাপাশি করোনা আক্রান্ত কিন্তু উপসর্গ নেই, এমন রোগীর প্রতিষেধক হিসেবে এটি দেওয়া হয়েছে। ওইসব রোগীদের শরীরে যেন উপসর্গ দেখা না দেয়, কারণে সেপসিভ্যঅক ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।। 

এরই মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৪ মে থেকে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই কিভাবে চালানো হবে, সে ব্যাপারে নির্দেশিকা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। করোনা-মুক্ত জেলাগুলিতে ওই দিন থেকে আরো বেশি ছাড় দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

এদিকে ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৩৩ হাজার ৬২ জন এবং মারা গেছে এক হাজার ৭৯ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার কমানোর ব্যাপারে গত সপ্তাহেই সেপসিভ্যাক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। 

ভারতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘গ্রাম নেগেটিভ সেপসিস’ ও করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে অনেকটা একই রকমের উপসর্গ দেখা যায়। দু’টি ক্ষেত্রেই কোষের অভ্যন্তরে থাকা ‘সাইটোকাইন’ প্রোটিন অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে।

ফলে মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ভারসাম্য হারিয়ে যায়। উপসর্গের মিলের কথা মাথায় রেখেই করোনা আক্রান্তদের ওপর সেপসিভ্যাক ব্যবহার করা হচ্ছে। 

পিজিআইএমইআর-এর পক্ষ থেকে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক রাম বিশ্বকর্মা জানান, আক্রান্ত যেসব রোগীর উপসর্গ নেই, তাদের শরীরে যাতে উপসর্গ আর না দেখা যায়, সেজন্য প্রতিষেধক হিসেবে তাদেরও সেপসিভ্যাক দেওয়া হয়েছে। মাস তিনেকের মধ্যে তার ফল জানা যাবে।