একজন বউকে নিয়ে সংসার ক’রতে যেখানে মানুষ হি’মশিম খেয়ে যান সেখানে কিনা ২৩ বউ। অ’বাক করা বিষয় হলেও সত্যিই। উগান্ডার ৯৪ বছর বয়সী নুলু সিমাকুলার বর্তমানে ২৩ স্ত্রী’ এবং ১০০ সন্তান র’য়েছে।

উগান্ডার রুওনজা গ্রামে তার বাস। সেই গ্রামের রী’তিই হলো বহুবিবাহ। এমনকি কে কার চেয়ে বেশি বিয়ে ক’রতে পারেন সেই প্র’তিযোগীতাও চলে প্রতি পুরুষের মাঝে। নুলু ১৯৫২ সালে প্রথম বিয়ে করেন। বর্তমানে সে এখনো পাঁচ নারীর স’ঙ্গে একত্রে বাস ক’রছেন, যদিও তাদের এখনো বিয়ে করেননি।

তার সবচেয়ে ছোট সন্তানের বয়স মাত্র ১০ মাস এবং সর্বকনিষ্ঠ স্ত্রী’র বয়স ২৪। তিনিও সন্তানসম্ভবা। তার চার স্ত্রী’ গত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ৬৬ সন্তানকে নিয়ে বসবাস ক’রছেন। বাকিরা বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস করছেন। নুলু জা’নান, এখনো আমা’র বিয়ে করার যো’গ্যতা র’য়েছে। বেঁ’চে থাকলে সামনে আরো কয়েকটি বিয়ে অ’বশ্যই করব। সন্তান এবং স্ত্রী’দের মাঝেই আমি আমা’র শান্তি খুঁ’জে পাই। তারাই আমা’র স’ম্পদ। আমি এখনো শা’রীরিকভাবে যুবকের ন্যা’য়।

তিনি আরো জা’নান, এতো জন সন্তান ও স্ত্রী’ আর দেশ সা’মলানো একই বিষয় মনে হয় আমা’র। এজন্য জ্ঞান ও বু’দ্ধি দুটোরই প্রয়োজন রয়েছে। আমা’র একটি ম’সজিদ ও প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়াও একটি কফির মেশিন ও দুগ্ধজাতীয় পণ্য ঠাণ্ডা রাখার মেশিন রয়ে’ছে আমা’র হোটেলে। এসবই আমা’র রোজগারের উৎস। পাশাপাশি আমি কৃষিকাজও করে থাকি।

নুলুর স’বচেয়ে বৃ’দ্ধা স্ত্রী’ই তার এতো বড় পরিবারকে সামলিয়ে থাকেন। তার নাম শাদিয়া। তিনি জা’নান, পরিবারে ছোট বড় সবাইকে দে’খে রাখি আমি। সবার অ’ভিযোগ শুনি। কারো স’ঙ্গে বিরো’ধ হলে সেসব বিষয়ের স’মাধান করি। আম’রা যারা বয়স্ক আছি তারা রান্নাঘরের কাজেই বেশি ব্য’স্ত থাকি। বাকিরা কৃষিকাজে’র স’ঙ্গে যু’ক্ত।

সূত্র: ডেইলিমনিটর