রাজ্যে আরও বাড়ল করোনার সংক্রমণ। বুধবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭২৫। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৮ জন নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।

করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সবরকম পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তবুও সংক্রমণ এড়ানো যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় ফের নতুন ২৮ করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে এরাজ্যে। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭২৫।

এখনও পর্যন্ত এরাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। এমনই জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।

রাজ্যে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মারণ করোনা। প্রতিদিন নতুন করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে জেলায়-জেলায় লকডাউন সফল করতে তৎপরতা নিচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। জরুরি কারণ ছাড়া রাস্তায় বেরোলেই ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। একদিকে করোনা রুখতে যেমন চলছে সতর্কতামূলক প্রচার ঠিক তেমনি আইনি ব্যবস্থা নিয়েও সংক্রমণ প্রতিরোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

তবুও মারণ করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া এড়ানো যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই সংক্রমিতদের সংস্পর্শে আসা অন্যদের হোম আইসোলেশনে থাকা যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘কেউ করোনা আক্রান্ত হলেই তাঁর সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের সরকারি কোয়ারান্টিনে রাখা হয়। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যদি বাড়িতে জায়গা থাকে এবং তাঁরা কোয়ারান্টিনের নিয়ম মেনে চলেন, তা হলে আর জোর করে তাঁদের সরকারি কোয়ারান্টিনে তুলে আনা হবে না।’

মমতা এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো সেই পথেই হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকারও। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্তদের ভর্তি হতে হত কোভিড কেয়ার সেন্টার, ডেডিকেটেড কোভিড হেলথ সেন্টার অথবা ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে। তবে এবার থেকে প্রি-সিমটোম্যাটিক রোগীদের বাড়িতে সুবিধে থাকলে তাঁরা সেখানেই সেল্ফ আইসোলেশনে থাকতে পারবেন।